
কেন্দ্রীয় বাহিনী।
শেষ আপডেট: 10 June 2024 17:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলে স্কুলে আর কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা যাবে না। এবার বিকল্প ব্যবস্থা করতে বলল নবান্ন। কারণ গরমের ছুটির পর সোমবার থেকেই স্কুল খোলার কথা। কিন্তু রাজ্যের বহু স্কুল এখনও খোলা সম্ভব হচ্ছে না বাহিনী থাকার কারণে। ফলে পঠনপাঠনের অসুবিধার কথা ভেবেই এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে।
প্রসঙ্গত, ১ জুন লোকসভা নির্বাচন মেটার পরেও কেন এতদিন ধরে বাহিনীর বাড়বাড়ন্ত, বিশেষ করে স্কুলগুলি কেন ভোগান্তি পোহাবে, সে বিষয়ে আজই কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন দুই আইনজীবী। এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা। তার পরেই নড়ে বসল নবান্ন।
ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতেই রাজ্যে নির্বাচনের পরও কয়েক সপ্তাহ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার কথা বলেছিল নির্বাচন কমিশন। জানিয়েছিল, ৪ জুন ফলপ্রকাশ পর্যন্ত আদর্শ আচরণবিধি মেনে চলতে হবে এবং সেই বিধির পরে আরও ১৫ দিন অর্থাৎ আগামী ১৯ জুন পর্যন্ত রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা থাকবেন। স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন স্কুলেই তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সূচি অনুযায়ী, ৯ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত গরমের ছুটি থাকে। এবারে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২২ এপ্রিল থেকে ৩ জুন পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পর বাহিনী থাকার কারণে সেই ছুটি আরও সাতদিন বৃদ্ধি করা হয়। ফলে ১০ তারিখ থেকেই পুরোদমে পঠনপাঠন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা করা সম্ভব হচ্ছে না বাহিনী থাকার জন্য।
ফলে সরকারিভাবে সোমবার স্কুল খুললেও সঠিকভাবে পঠনপাঠন শুরু করতে যে আরও বেশ কয়েকদিন সময় লেগে যাবে, তা আন্দাজ করেছে শিক্ষামহলের একাংশ। এই পরিস্থিতির দিকে যাতে আদালত নজর দেয় তার জন্যই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী ও অয়ন পোদ্দার। তাঁরা প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে এই বিষয়ে আদালতের হস্তাক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন। আগামী বুধবার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে।
তবে তার আগেই, আজ, মঙ্গলবার রাজ্য প্রশাসন এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে। বাহিনী রাখার বিকল্প ব্যবস্থা করতে বলেছে বিভিন্ন জেলাকে।