Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

হরিয়ানায় বিজেপি জোটে ভাঙন, মুখ্যমন্ত্রী খট্টর মঙ্গলবার ইস্তফা দিতে পারেন

হরিয়ানায় বিজেপি সরকারের অস্তিত্ব নিয়ে ঘোরতর সংশয় তৈরি হয়েছে।

হরিয়ানায় বিজেপি জোটে ভাঙন, মুখ্যমন্ত্রী খট্টর মঙ্গলবার ইস্তফা দিতে পারেন

শেষ আপডেট: 12 March 2024 10:50

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হরিয়ানায় বিজেপি সরকারের অস্তিত্ব নিয়ে ঘোরতর সংশয় তৈরি হয়েছে। শরিক দল জননায়ক জনতা পার্টির সঙ্গে বিরোধের জেরে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর মঙ্গলবার ইস্তফা দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে হরিয়ানায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা ছাড়া উপায় থাকবে না। কারণ, সেখানে বিজেপি বাদে দ্বিতীয় কোনও দলের সরকার গড়ার প্রয়োজনীয় নম্বর নেই।

বিরোধের কারণ লোকসভার আসন ভাগ বাটোয়ারা। রাজ্যের দশটি আসনের মধ্যে তিনটি দাবি করেছে জেজেপি। বিজেপি একটির বেশি ছাড়তে নারাজ। জেজেপি নেতা তথা রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্মন্ত চৌতালা সোমবার রাতে দিল্লিতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু সমাধান সূত্র মেলেনি।

যদিও দুই শরিকের মধ্যে মতভেদের শেষ নেই। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌতালার পার্টি জেজেপির সঙ্গে নানা বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী খট্টরের মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। বিজেপির অন্দরেও খট্টরের ভূমিকা নিয়ে বারে বারে প্রশ্ন উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী বদলের ভাবনাও ছিল দলে। 

ওই রাজ্যে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে দায়িত্বে আছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। তাঁর তৎপরতায় দু’বার জোটের ভাঙন আটকানো সম্ভব হয়। সোমবার রাতে তিনি চণ্ডীগড় পৌঁছে গিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর উপস্থিতিতে বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করবেন খট্টর। সেখানে নির্দল বিধায়কদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নির্দলদের সমর্থনে সরকার টেকানো সম্ভব না হলে খট্টর পদত্যাগ করবেন, এমনটাই ঠিক আছে এখনও। 

হরিয়ানায় বিজেপি-জেজিপি সরকারে শরিকি বিরোধের সূ্ত্রপাত হয়েছে কৃষক আন্দোলনের সময় থেকে। হরিয়ানা সরকারের কৃষকদের উপর পুলিশি অভিযান নিয়ে কংগ্রেসের পাশাপাশি শরিক জেজেপি’ও বারে বারে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খনা পরিস্থিতি নিয়েও সরব শরিক দল। মাস খানেক আগে দলের রাজ্য সভাপতি প্রকাশ্য রাস্তায় খুন হন। সেই ঘটনা নিয়েও বিরোধ তুঙ্গে ওঠে দুই শরিকের। ২০১৯-এ ভোটের পর বিজেপির সঙ্গে বোঝাপড়া হয় জেজেপির। শরিক দলের সমর্থন ছাড়া বিজেপি সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে।


```