
BJP
শেষ আপডেট: 17 March 2024 19:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্বাচনী বন্ডের যে তথ্য শুক্রবার প্রকাশ্যে এসেছিল তা অসম্পূর্ণ বলেই জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। স্টেট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই প্রেক্ষিতে তাঁদের জবাব দেবে আদালতে। তার আগে রবিবার নির্বাচন কমিশন নতুন কিছু তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে। সেই তথ্য সামনে আসার পরই কার্যত হইচই পড়ে গেছে। দেখা গিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে আয়ের নিরিখে বিজেপি বাকি বিরোধী দলগুলি থেকে শতহস্ত দূরে। তাদের একার আয় প্রায় ৭,০০০ কোটি টাকা।
বন্ড থেকে অর্থ প্রাপকদলের তালিকায় রয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূলের মতো দলগুলি। তথ্য অনুযায়ী, বন্ড থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে বিজেপির। গত ১৫ মার্চের তথ্যের ভিত্তিতে সেই অঙ্কটা জানা গেছিল ৬,০৬০ কোটি টাকা। কিন্তু রবিবার জানা গেল, সেটা ৬,৯৮৬.৫ কোটি টাকা! আয়ের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তাঁরা বিজেপির থেকে অনেকটাই পিছিয়ে এক্ষেত্রে। তৃণমূল নির্বাচনী বন্ড থেকে পেয়েছে ১,৩৯৭ কোটি টাকা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের পরে তৃতীয় স্থানে থাকা কংগ্রেস পেয়েছে ১,৩৩৪ কোটি। তেলেঙ্গানার বিআরএসের খাতায় পড়েছে ১,৩২২ কোটি টাকা। পঞ্চম স্থানে আছে ওড়িশার শাসক দল বিজেডি। তাঁদের প্রাপ্ত টাকার অঙ্ক ৯৪৪.৫ কোটি। তামিলনাড়ুর ডিএমকে পেয়েছে ৬৫৬.৫ কোটি টাকা, অন্ধ্রের ওয়াইএসআর কংগ্রেস পেয়েছে ৪৪২.৮ কোটি টাকা। জেডিএসের প্রাপ্ত টাকা ৮৯.৭৫ কোটি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, বিরোধী দলগুলির মিলিত অর্থের পরিমাণও বিজেপির ৭ হাজার কোটিকে ছুঁতে পর্যন্ত পারেনি।
রবিবার নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তাতে কোন দিন বন্ড দেওয়া হয়েছে, কত টাকার দেওয়া হয়েছে, কতগুলি বন্ড ইস্যু করা হয়েছিল, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কোন ব্রাঞ্চ থেকে বন্ড ইস্যু হয়েছিল, কোন কোন রাজনৈতিক দল সেই সব বন্ড থেকে টাকা তুলেছে, এই সব উল্লেখ রয়েছে। যদিও বন্ডের 'ইউনিক নম্বর' সংক্রান্ত কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি এখানে। তবে মনে করা হচ্ছে, এই তথ্য ১২ এপ্রিল ২০১৯ সালের আগের।