
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 31 May 2024 15:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার ভোট। তার ২৪ ঘণ্টা আগে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের গাঙ্গুলিবাগান এলাকা।
অভিযোগ, বেছে বেছে সিপিএম কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বামপ্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য। খবর পেয়ে পুলিশ এলে তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভও দেখান বাম কর্মী সমর্থকরা। স্থানীয় থানার পুলিশের বিরুদ্ধে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের শেল্টার দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন সৃজন। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।
সিপিএমের অভিযোগ, এদিন গাঙ্গুলিবাগানের রবীন্দ্রপল্লী, রায়পুরে তাদের তিন কর্মীকে মারধর করেছে তৃণমূল। আক্রান্তরা হলেন, অজিত সেন, শক্তি সাহা এবং প্রণব দাস। শক্তি সাহা বলেন, "সকালে বাজারে ডিম কিনতে গিয়েছিলাম। ফেরার সময় তৃণমূলের লোকজন চা দোকানের সামনে পথ আটকে দাঁড়ায়। রাস্তায় ফেলে মারধর করে।"
ঘটনার জেরে উত্তেজনা তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন সিপিএম প্রার্থী সৃজন। যাদবপুরে তৃণমূল এবারে প্রার্থী করেছে সায়নী ঘোষকে। বিজেপির হয়ে লড়ছেন অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। সৃজনের অভিযোগ, "পরাজয় নিশ্চিত বুঝে ভোটের আগে বাম কর্মীদের মনোবল ভাঙতে তৃণমূল হামলা শুরু করেছে। আর স্থানীয় থানা অপরাধীদের মদত দিচ্ছে।"
সৃজনের দাবি, "তৃণমূল এসব যত করবে ওরা ততই নিজেদের কবর খুঁড়বে।" যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, ভোটের আগেই সিপিএম বুঝতে পারছে হেরে যাবে, তাই শেষ মুহূর্তে নতুন করে গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে পাঁটুলিতেও সিপিএম কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। ওই প্রসঙ্গ টেনে সৃজন বলেন, "সে সময় এক দুষ্কৃতীকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। পুলিশের উচিত ছিল অভিযুক্তর সঙ্গে আর কে বা কারা রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা। কিন্তু পুলিশ অপরাধীদের আশ্রয় দিচ্ছে।"