
শেষ আপডেট: 7 March 2024 14:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুটি লাইনের মাঝের কথাগুলি পড়ে নিতে আমজনতাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গ ছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগদান। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। কার হাত ধরে, শুভেন্দু অধিকারী। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ফের একবার নারদকাণ্ডের কথা মনে করালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপিতে যোগদানের কথা ঘোষণার দিন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নারদকাণ্ড নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ক্লিনচিট দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁর যা বক্তব্য ছিল তাতে কার্যত তৃণমূলের নেতারাও আড়াল হয়ে যান। তবে অভিজিতের একক নিশানায় ছিলেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ। তাঁকে 'তালপাতার সিপাই' বলে কটাক্ষ করে অভিজিৎ দাবি করেছিলেন, ''নারদ পুরোটাই ষড়যন্ত্র। তালপাতার সিপাই-এর রাজনৈতিক পরিকল্পনা ছিল সেটি, কোনও স্টিং অপারেশন নয়।'' বৃহস্পতিবার শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদানের পরই অভিজিতকে সরাসরি নিশানায় নিলেন অভিষেক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে অভিষেক লেখেন, ''একেই বলে ১৮০ ডিগ্রি ইউটার্ন। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া একজন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে তারই হাত ধরে যার সিবিআই এফআইআর-এ নাম আছে! বিচারব্যবস্থার একাংশের সঙ্গে বিজেপি মধুর সম্পর্কের প্রমাণ এই ছবিটাই।''
SEEING IS BELIEVING!
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) March 7, 2024
Talk about a 180-degree turn – from ORDERING CBI inquiries to JOINING @BJP4India especially through someone named in a CBI FIR! This glaring flip EXPOSES the BJP's TWISTED TANGO with a SECTION OF JUDICIARY, all to the DETRIMENT of BENGAL’S INTERESTS. pic.twitter.com/DrEIJ6Hcd7
নারদকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত বর্তমান বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একাধিক তৃণমূল নেতাকে এই মামলার তদন্তে তলব করা, জেলে ভরা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় এজেন্সি কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। ঠিক এমনই অভিযোগ শাসক দলের। তবে অভিজিৎ অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের প্রবীণ নেতাদের বদনাম করতে এটা করা হয়েছিল। দাবি করেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে এর যোগ অনেক দূরে। আগে চক্রান্ত নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার।
মঙ্গলবারই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রাক্তন বিচারপতি স্পষ্ট করেই বলছেন, বিচার ব্যবস্থায় থাকাকালীন তথা বিচারপতির পদে আসীন হয়েই তিনি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে গেছেন। অর্থাৎ, তাঁর এজলাস থেকে যে যে রায় এসেছে, যে মামলাগুলির শুনানি হয়েছে, সেই সময়ে বিজেপির সঙ্গে তার যোগসূত্র ছিল। বাকিটা আমজনতাকেই বুঝতে হবে।