
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়
শেষ আপডেট: 23 April 2024 17:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্মতলায় এবার চাকরি প্রার্থীদের নতুন মঞ্চ তৈরি হতে চলেছে। যাঁরা যোগ্য অথচ চাকরি চলে গেছে, এ বার তাঁরা ধর্নায় বসতে চলেছেন।
পরিস্থিতি যখন এমনই তখন এ ব্যাপারে যুক্তি দিতে চাইলেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তমলুকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অভিজিৎ। এদিন তিনি বলেন, ১৭ রকমের দুর্নীতি হয়েছে। তাই মুড়ি-মিছরি আলাদা করা যায়নি। তাঁর মতে, এই কারণেই ২০১৬-র প্যানেলে থাকা যোগ্য-অযোগ্য সব চাকুরেদেরই চাকরি গেছে।
মঙ্গলবার তমলুকের কাঁকটিয়া বাজার এলাকায় প্রচার করেন অভিজিৎ। এখানকার কালী মন্দিরে পুজো দেন প্রাক্তন বিচারপতি। জন সংযোগে বেড়িয়ে কথা বলেন এলাকার মানুষের সঙ্গে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে অনিবার্য কারণেই উঠে আসে এসএসসি দুর্নীতিতে হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ।
সোমবার থেকে এই রায় নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে গোটা রাজ্যে। যারা টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছিল তাদের কী করা উচিত? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, "আমার হাতে ক্ষমতা থাকলে তো আমি ধরে ধরে ল্যাম্পপোস্টে ঝুলিয়ে দিতাম। এখন প্রশাসন আছে, আইন আদালত আছে, বিচার ব্যবস্থা যা ব্যবস্থা করার করবেন। হয়তো জেলে বন্দি করা হবে।"
আগামী একমাসের মধ্যে ১২ শতাংশ সুদ-সহ এই ক'বছরের বেতনের পুরোটাই অযোগ্য প্রার্থীদের ফেরত দিতে বলেছে আদালত। এই প্রসঙ্গ উঠতেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় বলেন, "মমতা ব্যানার্জি মমতা ব্যানার্জির ভাইপোকে কোমরে দড়ি দিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় নিয়ে আসুন এবং তাদের যে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে রাজ্য থেকে শোষণ করা, সেই সব সম্পত্তিগুলো থেকে টাকা নিয়ে যেখানে যা দেওয়ার তার ব্যবস্থা করুন।"
চাকরিহারাদের প্রতি তাঁর উপদেশ, "আন্দোলন করতে হবে। শুধু শুধু বসে থাকলে হবে না। ১৭ রকমের দুর্নীতি হয়েছে, এই চাকরি যাওয়ার পেছনে মুড়ি-মুড়কি এক হয়ে গেছে, বাছা যায়নি। রাজ্যকে বলা হয়েছিল ফ্রেশদের লিস্ট পাঠাতে। রাজ্য তা করেনি। এর জন্য পুরোপুরি মমতা ব্যানার্জি দায়ী।"