
শুক্রবার রাজ্যে আসছেন স্পেশাল পুলিশ অবজারভার । দ্য ওয়াল ফাইল ।
শেষ আপডেট: 4 April 2024 21:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। আর এই লোকসভা ভোটকে ঘিরে কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে তা নিয়ে আগামী ৬ এপ্রিল শনিবার বিএসএফ গেস্ট হাউসে জরুরি বৈঠকে বসছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
সূত্রের খবর বৈঠকে যোগ দিতে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে বাংলার জন্য নিযুক্ত স্পেশাল পুলিশ অবজারভার অনিল কুমার শর্মা। অনিল পাঞ্জাবের ১৯৮৪ ব্যাচের আইপিএস।
শুক্রবার সন্ধেয় দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছবেন। বিএসএফের গেস্ট হাউসে থাকবেন তিনি। শনিবার বেলা ১২টায় ওই গেস্ট হাউসেই ভোটকে ঘিরে জরুরি বৈঠকহবে।
মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথায়, কত মোতায়েন করা হবে তা নিয়েই এই বৈঠক।
কমিশন সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের জন্য নিযুক্ত হওয়া দু'জন বিশেষ পর্যবেক্ষক অলোক সিনহা (জেনারেল স্পেশাল অবজার্ভার) এবং অনিল কুমার শর্মা (স্পেশাল পুলিশ অবজারভার )। এছাড়াও বৈঠকে থাকবেন অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ আনন্দ কুমার, লিগ্যাল এন্ড স্টেট নোডাল অফিসার অফ পুলিশ এবং সিএপিএফের আইজি বিকে শর্মা।
বস্তুত, ভোট ঘোষণার আগেই এবারে নজিরবিহীনভাবে বাংলায় এসেছে ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে আরও ২৭ কোম্পানি বাহিনী এসে পৌঁছেছে রাজ্যে। বিভিন্ন জেলায় রুট মার্চও শুরু হয়ে গেছে। কমিশন সূত্রের খবর, এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্যে আসছে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী।
কমিশন সূত্রের খবর, প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হলে প্রথম দফায় অন্তত সাড়ে তিনশো কোম্পানি বাহিনী প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে আরও অন্তত ১৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় ফোর্স প্রয়োজন। তবে ভোটের আগে নতুন করে কত বাহিনী আসবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর, শনিবারের বৈঠকের পর এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
প্রসঙ্গত, চলতি লোকসভা নির্বাচনের জন্য বেনজিরভাবে বাংলায় সর্বোচ্চ ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এত আধাসেনা দেশের আর কোনও রাজ্যে মোতায়েন হচ্ছে না।
জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য ৬৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে। যা বাংলার থেকে অনেক কম। মাওবাদী সমস্যা কবলিত ছত্তীসগড়ের জন্য চাওয়া হয়েছে ৩৬০ কোম্পানি। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকসভা আসন রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেখানে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮০। অর্থাৎ বাংলার প্রায় দ্বিগুণ। অথচ সেই উত্তরপ্রদেশের জন্য মাত্র ২৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।