Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সদ্যোজাত থেকে পাঁচ বছর অবধি শিশুর মুখে ইনফেকশন! বাচ্চার ওরাল হেলথের যত্ন নেবেন কীভাবে

ছোট বাচ্চার মুখে কী ধরনের ইনফেকশন হতে পারে?

সদ্যোজাত থেকে পাঁচ বছর অবধি শিশুর মুখে ইনফেকশন! বাচ্চার ওরাল হেলথের যত্ন নেবেন কীভাবে

শেষ আপডেট: 20 March 2024 20:25

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোট বাচ্চাদের মুখে ঘন ঘন ইনফেকশন হয়। একদম সদ্যোজাত শিশু হোক বা পাঁচ থেকে দশ বছর বয়সি বাচ্চা, প্রায়ই দেখা যায় মুখের ভেতরে জিভে ছোট ছোট জলফোস্কার মতো পড়েছে। লাল হয়ে গেছে মাড়ি, বা মাড়িতে ঘা হয়েছে। ঠোঁটের নীচে গুটি গুটি লাল দাগ। এমন হলে খুব সতর্ক হতে হবে বাবা-মায়েদের। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোটবেলা থেকে এই সমস্যার যদি ঠিকমতো নিরাময় না হয়, তা হলে এর থেকে আগামী দিনে অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

বাচ্চার ওরাল হেলথের যত্ন নেবেন কীভাবে?

যে শিশুরা মায়ের দুধ খাচ্ছে বা বোতলে দুধ টানছে তাদের ওরাল হেলথের যত্ন একদম গোড়া থেকেই নিতে হবে মা-বাবাকে। বাচ্চারা দীর্ঘসময় যদি মায়ের দুধ খায় বা বোতলে দুধ টানে, তাহলে নিপল পরিষ্কার রাখতে হবে সবসময়। মায়েরা অনেক সময় বাচ্চার মুখে বোতল দিয়ে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করেন। ফলে একটানা দীর্ঘক্ষণ বোতলের নিপল শিশুর মুখের ভেতর থাকে। এর থেকে মুখে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। 

বাচ্চার মুখে কী ধরনের ইনফেকশন হতে পারে?

বাচ্চাদের মুখের মাড়ি, জিভ, ঠোঁট এমনকী গালের ভিতরে এক ধরনের ফাঙ্গাস জন্মায়, যার নাম ‘ক্যানডিডা অ্যালবিক্যাপ’। এই ছত্রাকের সংক্রমণ হলে তা খুবই যন্ত্রণাদায়ক।

বাচ্চাদের মুখে আরও একধরনের সংক্রমণজনিত রোগ হয় যার নাম ‘বটল মাউথ সিনড্রোম’ (Bottle Mouth Syndrome)। ছোট বাচ্চাদের মুখের ভেতরে এমন সংক্রমণ হতে দেখা যায়। বাচ্চার মুথের ভেতরে লালচে ভাব, মাড়িতে লাল দাগ বা দুধের দাঁতে ছোপ দেখেলেই সতর্ক হতে হবে। ডাক্তারবাবুরা বলছেন, এর কারণই হল বাচ্চাকে একটানা বোতলে করে দুধ খাওয়ানো। বুকের দুধ অথবা বেবি ফুডে যে সুগার রয়েছে, তা দাঁতে লেগে থাকে। মাড়িতেও লেগে থাকে। ব্যাকটেরিয়া এই সুগারকে অ্যাসিডে পরিণত করে, যা দাঁতের এনামেল নষ্ট করে দেয়। এর ফলে দাঁত ও মাড়িতে সংক্রমণ হয়। একে ডাক্তারি ভাষায় বলে বটল মাউথ সিন্ট্রোম বা বেবি বটল সিনড্রোম।

কী কী লক্ষণ দেখে সতর্ক হবেন?

  • মাড়িতে লালচে ভাব।
  • মাড়িতে সংক্রমণ
  • দাঁতে ছোপ
  • মুখের ভেতরে অস্বস্তি, জ্বালা। খাওয়াতে গেলেই কাঁদবে বাচ্চা।

শিশুর ওরাল হেলথের যত্নে বাবা-মায়ের করনীয় ?

  • প্রথমত বোতল মুখে দিয়ে বাচ্চাকে ঘুম পাড়াবেন না। রাতে শোওয়ানোর আগে বোতলে করে দুধ না খাওয়ানোই ভাল। তার বদলে বাটি-চামচ ব্যবহার করুন।
  • রাতে বোতলে দুধ খাওয়ালেও জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে দিন। দাঁতে বা মাড়িতে যেন দুধ লেগে না থাকে।
  • সবসময়েই দুধ বা ফলের রস বোতলে করে খাওয়ানোর পরে বাচ্চার মুখ ভাল করে ধুইয়ে দিতে হবে।
  • ছোট বাচ্চাদের ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিতে পারেন। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই বাচ্চার টুথপেস্ট সিলেক্ট করুন।
  • পাঁচ বছর ক্ষেত্রে দিনে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা উচিত। সকালে উঠে এবং রাতে শুতে যাওয়ার আগে।
  • ব্রাশ করার সময়ে সোজাসুজি জোরে জোরে না ঘষে, আলতো ভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ব্রাশ করতে হবে। বেশি শক্ত ব্রাশ বাচ্চাকে দেবেন না।
  • দুধের দাঁত ওঠার পরে মায়েরা অনেক সময় নিপল বা বোতল দিয়ে রাখেন বাচ্চার মুখে। সেক্ষেত্রে খাওয়া হয়ে গেলে বাচ্চাকে কিছুটা জল খাইয়ে দেবেন, এতে দাঁতের ওপর লেগে থাকা কণাগুলো ধুয়ে যায়।

বটল মাউথ সিন্ড্রোমে শিশুর ওপরের পাটির দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি হয়। তাই মায়েরা ফিডারে করে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর বদলে চামচ দিয়ে দুধ খাওয়ানোই বেশি ভাল। ফিঙ্গার ব্রাশ দিয়েও শিশুর মুখ ও দাঁত পরিষ্কার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন শিশুর ওরাল হেলথ কেয়ার খুবই জরুরী।


```