
শেষ আপডেট: 27 December 2020 10:04
অনেকের আবার চোখের তলার চামড়া স্পর্শকাতর। ফলে যেকোনও কিছু ব্যবহার করতেও পারেন না। তবে কিছু ঘরোয়া উপায় আছে। যার পার্শ প্রতিক্রিয়া নেই। সহজে চটজলদি ফলাফল পেতে এই টোটকাগুলো ভীষণ উপকারী। দেখে নিন এক নজরে -
১. জল -
অনেক সময় ডিহাইড্রেশন থেকে চোখের ফোলাভাব থাকে। দিনে আট গ্লাস জল খান। এতে শরীর যেমন হাইড্রেটেড থাকবে, তেমনই ফোলাভাবও কমবে।
২. ঘুম -
সারাদিনে পরিশ্রমের পর রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করুন। বেশি রাত পর্যন্ত ফোন, ল্যাপটপে চোখ রাখলে ফোলাভাব চলে আসে। চেষ্টা করুন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা টানা ঘুমোতে।
৩. মাথা সোজা রেখে ঘুমান -
পাশ ফিরে শুলে অনেক সময় একদিকে ফ্লুইড জমে চোখের তলা ফুলে ওঠে। চেষ্টা করুন মাথা সোজা রেখে শুতে।
৪. নুন খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন -
প্রতিদিনের ডায়েটে সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে বলেন ডাক্তাররা। সেই কারণেই নুন ছাড়া খাবার খেতে অভ্যাস করুন। এতে চোখের তলায় ফোলাভাব কেটে যায়।
৫. ম্যাসাজ -
সবথেকে সহজ পদ্ধতি এটিই। অনামিকা, মধ্যমা দিয়ে চোখের চারপাশে ম্যাসাজ করলে ফোলাভাব কেটে যায় একেবারেই।
৬. অ্যালকোহল ছেড়ে দিন -
অতিরিক্ত অ্যালকোহল খেলে শরীরে যেমন ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে, তেমনই চোখের তলা ফুলে ওঠে। যা তাড়াতাড়ি ঠিক হয় না। চেষ্টা করুন অ্যালকোহল খাওয়া ছেড়ে দিতে। বিশেষ অনুষ্ঠানের আগে তো অ্যালকোহল ছুঁয়েও দেখবেন না।
৭. আলু -
গোল গোল চাকতির মতো আলু কেটে ফ্রিজে রেখে দিন কিছুক্ষণ। ঠান্ডা আলুর টুকরো চোখের তলায় কিছুক্ষণ রেখে দিলে ডার্ক সার্কেলের সমস্যা যেমন দূর হবে, তেমনই ফোলাভাবও কেটে যাবে।
৮. শশা -
শশার উপকারিতা সকলেই জানেন। শশায় জলের পরিমাণ বেশি থাকে বলে, শরীর হাইড্রেটেড রাখতে ভীষণ উপকারী এই ফল। চোখের সমস্যার সমাধানও করে শশা। গোল গোল করে কিছুটা শশা কেটে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে, তারপর চোখে লাগিয়ে রেখে দিন। অন্তত ৩০ মিনিট রাখার পরেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
৯. অ্যালোভেরা জেল -
ঠান্ডা করে বা নর্মাল অ্যালোভেরা জেল চোখের তলায় লাগিয়ে রেখে দিন এক ঘণ্টা। কখনও কখনও সারারাত লাগিয়েও রেখে দিতে পারেন। অ্যালোভেরা জেল যেমন ত্বকের সমস্ত সমস্যার সমাধান করে, তেমনই ফোলাভাবও কাটিয়ে দেবে।
১০. ঠান্ডা চামচ -
চটজলদি ফলাফল পেতে হলে এই পদ্ধতিতে ফোলাভাব কমাতে পারেন। একটা চামচ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে চোখের তলায় চেপে ধরে রাখুন। এতে তৎক্ষণাৎ ফোলাভাব কেটে যায়।