শেষ আপডেট: 21 November 2020 12:36
স্যালাড মানেই চেনা ফল, সবজি মেশানো খাবার নয়। এটা বানানোরও পদ্ধতি আছে। স্বাদ অনুযায়ী নিজের ইচ্ছেমতো বানানো যায়। খাটনি কম। ঠিকমতো বানাতে পারলে বাচ্চারাও প্রতিদিন স্যালাড খেতে চাইবে। জেনে নিন এই শুকনো খাবারকেই সুস্বাদু করে তুলবেন কীভাবে-
১.গোলমরিচ, নুন ব্যবহার করুন-
বেশিরভাগ সময় ডাক্তাররা কাঁচা নুন খেতে মানা করেন। তাঁরা এড়িয়ে যাবেন। কিন্তু অনেক সময় কাঁচা সবজি, ফলে একটু নুন, গোলমরিচ মেশালে তার স্বাদই বদলে যায়। যেমন বছরের প্রত্যেক মাসে টমেটো, শশা এগুলো তো পাওয়াই যায়। এগুলো কেটে উপরে নুন, গোলমরিচ ছড়িয়ে দিন। খেতে ভাল লাগবে।
২. লেটুস পাতার স্যালাডে টুইস্ট আনুন-
শুধু শুধু লেটুসপাতার স্যালাড খেতে কারোরই ভাল লাগার কথা না। তাই তাতে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। আবার গ্রিন স্যালাড বানাতে আরও অনেক সবুজ সবজি মেশাতে পারেন। সঙ্গে চেরি টমেটো দিতে পারেন। মুখে স্বাদ পাবেন।
৩. মশলা মেশাতে পারেন -
শুধু পিৎজাতেই নানারকম মশলা দেবেন কেন! স্যালাড কী দোষ করল! পিৎজার মশলা স্যালাডেও মেশাতে পারেন। মানে রঙিন ক্যাপসিকাম, লঙ্কা কুচিকুচি করে কেটে, সঙ্গে নিজের পছন্দসই মশলা মিশিয়ে ঝালঝাল স্বাদের স্যালাড তৈরি করতেই পারেন।
৪. হার্ব ব্যবহার করুন -
হার্ব মানেই দামি একথা একেবারেই ভুল। যেকোনও পুষ্টিকর খাবারে হার্ব থাকাটা জরুরি। পার্সলে, তুলসি, ধনেপাতা এগুলো অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন স্যালাডে।
৫. চিজ মিশিয়ে নিতে পারেন -
না, না। চিজ খেলেই কেউ মোটা হয় না। অনেকেই ভুলে যান চিজ প্রোটিনে ভরপুর। তবে বুঝে শুনে মেপে খাওয়া উচিত। স্ট্রবেরি স্যালাডে চিজের ছোট টুকরো মিশিয়ে খেতে পারেন। আবার গরমকালে তরমুজ, চিজ স্যালাডের স্বাদ তো মুখে লেগে থাকার মতো।
৬. মধু, মেয়োনিজ ব্যবহার করতে পারেন -
স্যালাডের স্বাদ নিজের ইচ্ছেমত বদলাতে পারেন। এটাই এর সুবিধা। যেমন মিষ্টি মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করলে মধু মেশাতে পারেন। আবার একটু ঝাল খেতে ইচ্ছে করলে, লঙ্কা বাটা দিয়ে একটা ঘন পেস্ট বানিয়ে সেটা একটু মিশিয়ে নিতে পারেন। কখনও আবার মেয়োনিজও ব্যবহার করতে পারেন।
৭. নতুন কিছু ব্যবহার করে রঙিন স্যালাড বানাতে পারেন -
শুধু একরকমের স্যালাড কেন বানাবেন! ফ্রিজে তো কতরকমের সবজি, ফল, মাংস থাকে। তা দিয়েই স্যালাড বানিয়ে রাতের ডিনার বানিয়ে ফেলুন। রেসিপি একঘেয়ে লাগলে নতুন রঙিন সবজি ব্যবহার করে খেতে দেখুন। পুষ্টির পাশাপাশি মুখের স্বাদও পাল্টাবে