
শেষ আপডেট: 28 August 2023 08:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাঝে আর একটা দিনের অপেক্ষা। তারপরই রাখি পূর্ণিমায় (rakhi festival) ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধার পালা। এখন অবশ্য শুধু ভাই বোনের মধ্যেই রাখি সীমাবদ্ধ নেই। এই দিন রাস্তাঘাটে প্রশাসন বা স্থানীয়দের তরফে অনেক সময়ে পথচারীদের হাতেও বেঁধে দেওয়া হয় রাখি। ১৯০৫ সালে বাংলায় বঙ্গভঙ্গ রুখতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখিবন্ধন উৎসবের সূচনা করেন।
তবে একেবারে নিয়ম মেনে যারা রাখি পরান ভাই অথবা দাদার হাতে তাঁদের কাজ কিন্তু শুধু হাতে রাখি বাঁধাতেই শেষ হয়না। সেই সঙ্গে ভাইকে পরাতে হয় চন্দন অথবা কুমকুমের ফোঁটা, মিষ্টিমুখ করাতে হয় ভাই অথবা দাদাকে। প্রতি বছর এভাবেই নিয়ম মেনে যারা রাখি পরান অনেক সময়েই তাঁরা রাখির থালায় কী কী রাখতে হয় তা জিজ্ঞেস করলে চট করে মনে করে বলতে পারবেন না। আসলে উৎসবের মরসুমে এত খুঁটিনাটির দিকে সবসময়ে নজর দিতে পারেন না অনেকেই।
রাখি

যে উৎসবকে ঘিরে এত আয়োজন সেই উৎসবের প্রধান উপকরণ অবশ্যই রাখি। পছন্দ মতো ডিজাইনের রাখি কিনে আগে থেকেই থালা সাজানোর সময়ে রেখে দিতে হবে থালায়। এরপর ভাইয়ের হাতে রাখি বেঁধে বন্ধন আরও একটু গভীর করে নেওয়ার পালা।
প্রদীপ

রাখির থালায় সবসময়েই প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখে দিতে হয়। রাখি পরানোর সময়ে এই মঙ্গলপ্রদীপ জ্বলা শুভ লক্ষণ বলে মনে করা হয়। হাতে রাখি বেঁধে দেওয়ার পর প্রদীপের তাপ ভায়ের কপালে ঠেকিয়ে ভাই বা দাদার দীর্ঘায়ু কামনা করেন বোনরা।
কুমকুম

সিঁদুর বা কুমকুম মা লক্ষ্মীর প্রতীক বলে মনে করা হয়। সেই কারণে অবাঙালি পরিবারে রাখি পরানোর পর সিঁদুর বা কুমকুমের টিপ পরিয়ে ভাই বা দাদার আর্থিক স্বাচ্ছল্য কামনা করেন বোনরা।
অক্ষত

গোটা আতপ চালকে অক্ষত বলা হয়। এই চাল রাখির থালায় রাখার নিয়ম রয়েছে অনেক পরিবারে। সিঁদুর বা কুমকুমের তিলক পরানোর পর এই অক্ষতও ভাইয়ের কপালে পরিয়ে দেন বোনরা।
চন্দনকাঠ
রাখি পরিয়ে কপালে সিঁদুর বা কুমকুমের তিলক পরানোর পর ভাইয়ের মাথায় চন্দনকাঠ ঠেকিয়ে দেওয়া হয় অনেক পরিবারে। এতে বিষ্ণু এবং গণেশের আশীর্বাদ মেলে বলে বিশ্বাস করেন অনেকে।
মিষ্টি

যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানে মিষ্টিমুখ করাই নিয়ম। সেই কারণেই রাখির থালাতেও ভাইয়ের পছন্দের মিষ্টি রাখেন বোনরা। রাখি পরানোর পর্ব মেটার পর পরস্পরকে মিষ্টি খাইয়েই ভাই বোনের মিষ্টি সম্পর্ক যেন আরও একটু মধুর হয়ে ওঠে।
৭ লক্ষ ‘জয় বাংলা’ রাখির বরাত পেল কালনা! সরকারি উদ্যোগে চলছে প্রশিক্ষণ শিবিরও