Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল

অনলাইন ক্লাসে বাচ্চার মনযোগ বাড়াতে বাবা-মায়ের কী করণীয়

পায়েল ঘোষ বছর দেড়েক আগে পর্যন্তও ঘুম থেকে উঠেই পাঁচ বছরের জোজোকে তৈরি হতে হতো স্কুলে যাওয়ার জন্য। স্কুল বাসে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে করতে যাওয়া, ক্লাসে পড়াশোনা, টিফিন খাওয়া, বন্ধুদের সাথে হইহই করে খেলা করা, বাড়ি ফিরে হোমওয়ার্ক করা... সে

অনলাইন ক্লাসে বাচ্চার মনযোগ বাড়াতে বাবা-মায়ের কী করণীয়

শেষ আপডেট: 27 June 2021 14:27

পায়েল ঘোষ

বছর দেড়েক আগে পর্যন্তও ঘুম থেকে উঠেই পাঁচ বছরের জোজোকে তৈরি হতে হতো স্কুলে যাওয়ার জন্য। স্কুল বাসে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে করতে যাওয়া, ক্লাসে পড়াশোনা, টিফিন খাওয়া, বন্ধুদের সাথে হইহই করে খেলা করা, বাড়ি ফিরে হোমওয়ার্ক করা... সে ছিল এক ছন্দের জীবন। কিন্তু গত দেড় বছরে সব কিছু একদম বদলে গেছে। ‘স্কুল’ নামটাতে জোজো আর উৎসাহ পায় না। সেই তো ঘরের মধ্যে বসে মোবাইলে ক্লাস হয়, ভাল করে বুঝতেও পারে না ম্যামের কথা, কখনও কখনও কানেকশন থাকে না, ক্লাসও মিস হয়ে যায়। মোট কথা পড়াশোনা করতেই আর ভাল লাগে না জোজোর। প্রায় প্রতিটি বাচ্চারই জোজোর মতন সমস্যা হচ্ছে অতিমারীতে পড়াশোনার নতুন অভ্যাসের সাথে অভিযোজিত হতে। কিন্তু সময় পেরিয়ে যাচ্ছে হু হু করে। তাই অভিভাবকদের চিন্তা হওয়াই স্বাভাবিক। এইরকম পরিস্থিতিতে তাহলে কী করবেন অভিভাবকেরা? অভিভাবকদের নিজেদের ইতিবাচক থাকতে হবে এই অনলাইন পড়াশোনার বন্দোবস্ত নিয়ে। যে কঠিন পরিস্থিতি চলছে, তাতে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিধিনিষেধে। তাই বাচ্চাদের সামনে নতুন প্রথায় পড়াশোনা নিয়ে অতিরিক্ত নেতিবাচক মন্তব্য না করাই শ্রেয়। এর ফলে ওদের মনে আরও হতাশা এবং অনিচ্ছা দানা বাঁধছে। অনলাইন ক্লাস করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় নিয়ে অবশ্যই আলোকপাত করা দরকার। সম্ভব হলে অভিভাবকদের নিজস্ব মোবাইলের বদলে অনলাইন ক্লাসের জন্য একটি আলাদা মাধ্যম (ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ)-এর ব্যবস্থা করতে পারলে খুব ভালো হয়। এর ফলে বাচ্চাদের বড় স্ক্রিনে ক্লাস করতে সুবিধা হবে এবং সাইবার সিকিউরিটি প্রয়োগ করা যাবে। বিছানায় বা গদি জাতীয় জায়গায় বসে ক্লাস করানোর অভ্যাস বন্ধ করা বিশেষভাবে প্রয়োজন। এতে বাচ্চাদের মধ্যে একটা আলস্যভাব চলে আসে। বরং ওদের জন্য ছোট চেয়ার টেবিলের ব্যবস্থা করে দিলে খুব ভালো হয়। তাহলে ওরা সঠিকভাবে বসতেও পারবে, ওদের মধ্যে ক্লান্তিভাবও কমবে। টেবিলে জলের বোতল বা বই-খাতা সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলে ওদের কাজ করতেও সুবিধা হবে। ঘুম থেকে তুলেই অনলাইন ক্লাস করতে বসানো একেবারেই অনুচিত। সময়মত ঘুম থেকে উঠিয়ে কিছুটা এক্সারসাইজ করিয়ে নিতে পারলে খুব ভালো হয়। যাতে অনলাইন ক্লাস করার সময় মনসংযোগ করতে পারে। অনলাইন ক্লাস শেষ হওয়ার পর কোনও ভাবেই মোবাইল বা টিভি দেখানোর অভ্যাস তৈরি হতে দেবেন না। বরং ওই সময় অন্য কিছু ইনডোর গেম, আঁকাজোকা এগুলো করতে পারে। পড়াশোনা করানোর সময় অবশ্যই অভিভাবকেরা একটা প্ল্যান করে নেবেন কীভাবে পড়াবেন সেই বিষয়ে। বাচ্চাদের পড়ানোর ক্ষেত্রে ধৈর্য্যের প্রয়োজন। তা না হলে ওদের বকাঝকা বা মারধর করে ফেলতে পারেন। সেক্ষেত্রে পড়াশোনার প্রতি ওদের বিরাগ জন্মাতে পারে। তাই মিলিয়ে মিশিয়ে বিভিন্ন বিষয় পড়ানোর চেষ্টা করবেন, যেগুলোতে ওদের উৎসাহ তৈরি হয়। পড়াশোনার বাইরে নিয়মিত গল্প বলুন বা পড়ে শোনান। যে বাচ্চারা বই পড়তে পারে, ঘুমোতে যাওয়ার আগে তাদের রুটিনে অবশ্যই বই পড়ার অভ্যাসকে সংযোজন করুন। নিজেরাও বাচ্চাদের সামনে পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন। উৎসাহ নিয়ে বাচ্চাদের পড়ালে ওদের মধ্যেও নতুন কিছু জানা বা শেখার আগ্রহ তৈরি হবে। তাই অনলাইনে ক্লাস বা পড়াশোনা করলেও বাড়ির পরিবেশ ইতিবাচক থাকলে বাচ্চাদের নতুন পদ্ধতিতে পড়াশোনা করতে অসুবিধা হবে না।

```