Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কেরলে চিকেন পক্সে আক্রান্ত সাড়ে ৬ হাজার, বাড়ছে মৃত্যু, রোগ থেকে বাঁচার উপায় কী

কেন বাড়ছে চিকেন পক্স?

কেরলে চিকেন পক্সে আক্রান্ত সাড়ে ৬ হাজার, বাড়ছে মৃত্যু, রোগ থেকে বাঁচার উপায় কী

শেষ আপডেট: 18 March 2024 17:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাম্পসের পরে কেরলে চিকেন পক্সের সংক্রমণ মারাত্মক ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৭৫ দিনে আক্রান্ত সাড়ে ৬ হাজার। শিশুদের মধ্যেও ছড়িয়েছে সংক্রমণ। ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, ভ্যারিসেলা জস্টার নামক একটি ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতি বছরই শীত ও বসন্তের সন্ধিক্ষণে হাম বা পক্সের মতো ছোঁয়াচে অসুখ দেখা দেয়। কিন্তু এ বছর চিকেন পক্সে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। এমনকী মৃত্যুও বাড়ছে।

কেন বাড়ছে চিকেন পক্স?

বছরের যে কোনও সময়েই এই রোগ হতে পারে। তবে বছরের প্রথম ছ’মাস অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণেই এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই ভাইরাস ঘটিত রোগ। ভ্যারিসেলা জুস্টার (ভি-জেড ভাইরাস) নামে এক ধরনের ভাইরাসের জন্য এই রোগ হয়। ডাক্তারবাবুরা বলছেন, করোনার এই গত কয়েক বছরে নানা ধরনের ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। যে রোগে মৃত্যু সাধারণত হয়না, সেইসব রোগেও লোকজনের মৃত্যু হচ্ছে। কারণ ভাইরাস অনেক বেশি জিনগতভাবে বদলে যাচ্ছে, আরও বেশি সংক্রামক হয়ে উঠছে।

কীভাবে ছড়ায়? উপসর্গ কী কী?

করোনার মতোই ছোঁয়াচে ভাইরাস। স্পর্শ থেকে এই সংক্রমণ ছড়ায় না ঠিকই, তবে আক্রান্তের হাঁচি-কাশি, মুখ থেকে বেরনো থুতু-লালার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারে।

প্রাথমিক ভাবে জ্বর, সর্দি, হাঁচি, সারা শরীরে ব্যথা ইত্যাদি দেখা যায়। পরবর্তী পর্যায়ে গায়ে বিভিন্ন আকারের দানা ও আরও পরে জলভর্তি ফোস্কার মতো বড় আকারের দানা বা পুঁজ সমেত বড় আকারের দানাও দেখা যায়। চিকেন পক্স ছোট-বড় জলফোস্কার মতো হয়ে সারা দেহে, বিশেষ করে বুকে, পিঠে ও মুখে ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে আক্রান্তের জ্বর ও গায়ে-হাতে-পায়ে ব্যথা হয়। শরীরের নীচের অংশও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে উপরিভাগেই বেশি দেখা যায়।

ভ্যারিসেল্লা জোস্টার ভাইরাস (Varicella zoster virus) অত্যন্ত সংক্রামক। ছোঁয়াচ লেগেই একজনের থেকে অন্যজনে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। গায়ে গোটা বেরোনোর ২ দিন আগে থেকে ৮ দিন পর্যন্ত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ভয় খুব বেশি থাকে। তাই এ সময়ে কারও সংস্পর্শে না যাওয়াই ভাল।

ছোটদের বেশি হয়
ছোট থেকে বড়, পুরুষ কিংবা মহিলা সবাই চিকেন পক্সে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে যাঁদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই রোগের প্রবণতা বেশি (Chickenpox)।

গর্ভবতী মায়েদের, বয়স্ক মানুষদের এবং সদ্যজাতদের ক্ষেত্রে এই রোগটি মারাত্মক। এ ছাড়া যাঁরা ‘ইমিউনো কম্প্রোমাইজড’ এবং যারা ‘স্টেরয়েড থেরাপি’-তে আছেন, অর্থাৎ যারা এমন কিছু ওষুধ খান, যে ওষুধ খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগটি মারাত্মক হতে পারে।

সারতে লাগে ৯-২১ দিন
চিকেন পক্স মোটামুটি ৯-২১ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। সংক্রমণের পরিমাণের ওপরে নির্ভর করে অসুখ কতদিন থাকবে। প্রথম ২-৩ দিনের মধ্যেই যতগুলো জলফোস্কা বেরোনোর, তা বেরিয়ে যায়। ৭-১৪ দিনের মধ্যে জলফোস্কাগুলো আস্তে আস্তে শুকোতে শুরু করে। শুকোনোর সময় খুব চুলকায়। আর শুকিয়ে যাওয়ার পরে চামড়ার ওপরে কালো কালো দাগ থেকে যায়। তবে সাধারণভাবে এই কালো দাগ মোটামুটি কয়েক মাসের মধ্যে মিলিয়ে যেতে থাকে।

চিকিৎসা কী?

প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় উপায় টিকাকরণ। টিকাকরণ সঠিক সময় হলে বাচ্চাদের ভাইরাসের সংক্রমণ কম হয়। অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে। ‘সেকেন্ডারি ইনফেকশন’ হলে কিছু ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ওযুধও দেওয়া হয়।

চিকেন পক্সের জীবাণু যেহেতু হাওয়ার মাধ্যমেই ছড়িয়ে পড়ে, তাই এই রোগ থেকে বেঁচে চলা একটু কঠিন। তবে করোনার মতো চিকেন পক্স থেকেও আমাদের বাঁচাতে পারে মাস্ক। এ ছাড়াও স্নানের জলে নিমপাতা ফেলে, হলুদ মেখে স্নান করতে পারেন। এই সময়টা একটু বেশি তেতো রাখুন খাবার পাতে, এতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।


```