দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলো ঝলমলে রাস্তাঘাট। ছোট ছোট রঙিন আলোয় সেজে উঠেছে দোকান, রেস্তোরাঁ। তার সামনেই বড় ক্রিসমাস ট্রি সাজানো। শীতকাল মানেই তো বাতাসে নলেন গুড়ের পায়েসের গন্ধ। কেকের দোকানে উপচে পড়া ভিড়। এই সব মিলিয়েই তো কলকাতার ক্রিসমাস। যে উৎসবে সামিল হয় সমস্ত জাতি,ধর্মের মানুষেরা।
খাঁটি বিরিয়ানির নাম নিলেই যে রেস্তোরাঁর নাম সবার আগে মনে আসে, সেটা 'আউধ ১৫৯০' ছাড়া আর কিচ্ছু না। কেউ যদি আসল মোগলাই খাবারের সন্ধানে থাকেন, তাঁকে চলে আসতেই হবে 'আউধ ১৫৯০'-এ। কাবাব থেকে শুরু করে হাঁড়ির সুস্বাদু বিরিয়ানি, ফ্যাকাশে দিনে যে কারও মন ভাল করবেই।
ক্রিসমাস মানেই কলকাতার ভোজনরসিক বাঙালিদের জন্য প্রতিবছরই নতুন কোনও সুখবর তো থাকেই। এবছরেও অন্যথা হয়নি। জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ 'আউধ'ও এবার ক্রিসমাস আর নিউ ইয়ার স্পেশ্যাল মেনু নিয়ে হাজির হয়েছে। এক একটা নতুন পদ, একে অন্যকে টেক্কা দেওয়ার মতোই সুস্বাদু।
রেস্তোরাঁয় ঢুকলেই চিরাচরিত বিরিয়ানির ঘ্রাণ যেমন পাবেন তেমনই নতুন কাবাবের পদ আপনাকে চমকে দেবে। স্পেশ্যাল মেনুর শুরুতেই থাকছে 'মাসরুম গোলাটি কাবাব', 'মটন গলৌটি কাবাব', 'মুর্গ জাফরানি কাবাব', 'মাহি সুগন্ধি কাবাব'। মেন কোর্সে থাকছে 'রান বিরিয়ানি', 'আওয়াধি হান্ডি বিরিয়ানি', 'আওয়াধি পালক বিরিয়ানি', 'মতি বিরিয়ানি', 'গোস্ট কুন্দন কালিয়া', 'গোস্ট ভূনা', 'চিকেন ইরানি', 'লাসুনি পালক', 'পনির রেজালা', 'সাবজি কোফতা কালিয়া'। এমন দুর্দান্ত খাবারের পাশাপাশি মিষ্টিমুখ তো করতেই হয়! তাই জন্য থাকছে 'গাজরের হালুয়া'।
খাবারের নাম শুনে অনেকের জিভেই জল আসবে, সেটা স্বাভাবিক। এবার চেখে দেখতে হলে চলে আসতেই হবে আউধের যে কোনও আউটলেটে। বালিগঞ্জের লেক টেরেস রোডে, দেশপ্রিয় পার্কের কাছে, সল্ট লেকে, কালিন্দির আউটলেটে থাকছে এই সুস্বাদু পদগুলো। ২৪ ডিসেম্বর থেকে পয়লা জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবে এই স্পেশ্যাল মেনু। বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩.৩০টে এবং সন্ধে ৬.৩০ থেকে রাত ১০.৩০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে রেস্তোরাঁ।