
শেষ আপডেট: 17 December 2020 14:19
যে কোনও প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ বিনসরের রূপ দেখলে স্থির থাকতে পারবেন না। পাহাড়ি এই জায়গায় হাতে গোনা তিন চারটে হোটেল আছে। খানিকটা হেঁটে ঘুরলে পাহাড়েই জঙ্গলের স্বাদ পাবেন। বাঘ, হরিণ তো আছেই। তাছাড়াও বিভিন্ন জীবজন্তু, নানা প্রজাতির পাখি দেখা যায় এখানে। খানিকটা পথ হেঁটে পাহাড়ের উপরে উঠতে পারলে সেখান থেকেই হিমালয়ের পঞ্চচুল্লি দেখা যায়।
বিল বিলিং, হিমাচল প্রদেশ -
ছোট্ট এই পাহাড়ি শহরের নামও অনেক শোনেননি। হিমাচল প্রদেশের এই জায়গায় অনেকেই হোটেলের পরিবর্তে টেন্ট খাটিয়ে থাকেন। বহুদিন থেকেই যাঁদের প্যারাগ্লাইডিংয়ের শখ, তাঁরা এখানে এসে তাঁদের ইচ্ছে পূরণ করতে পারেন। মূলত প্যারাগ্লাইডিংয়ের জন্যেই বিখ্যাত এই জায়গা।
চাম্বা, হিমাচল প্রদেশ -
মেঘে ঢাকা চাম্বার সৌন্দর্য দেখলে স্থির থাকা মুশকিল। পাশ দিয়েই বয়ে যায় ইরাবতী নদী। জনবসতি থেকে দূরে গিয়ে কোনও একটা হোটেলে থাকতে পারেন। এখানেই বলিউডের বেশ কিছু সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে।
কৌসানি, উত্তরাখণ্ড -
পাহাড়ের কোলে এই শহরে হাতে গোনা কয়েকটা হোটেল রয়েছে। আগে থেকেই বুক করে তাই যেতে হয়। প্রতিটা হোটেলই হিমালয়ের পঞ্চচুল্লির দিকে মুখ করা। ফলে সকালে ঘুম থেকে উঠেই জানলার পর্দা সরিয়ে ঘরে বসেই দেখতে পারবেন সোনা আলোয় রাঙানো হিমালয়। পায়ে হেঁটেই শান্ত কৌসানি ঘুরে দেখতে পারবেন। যাঁদের পাখি দেখার শখ,বা পাখির ছবি তোলার শখ আছে, তাঁরাও ভীষণ উপভোগ করবেন এখানে।
বারোগ, হিমাচল প্রদেশ -
সিমলা থেকে কালকা যাওয়ার পথেই আছে বারোগ। আলাদা করে এখানে অনেকেই ঘুরতে আসেন না। ফলে সারাবছরই শান্ত পরিবেশ বজায় থাকে। ক্যালেন্ডারের পাতার মতো সুন্দর এই পাহাড়ি জায়গায় গিয়ে নিভৃতে দু'তিন কাটানোই যায়। দিল্লি থেকেও খুব কাছে।
প্যাঙ্গোট, উত্তরাখণ্ড -
বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখার জন্য এখানে ঘুরতে আসেন কেউ কেউ। এখনও বিখ্যাত হয়নি বলেই এখানে খুব বেশি ভিড় হয় না। দিল্লি থেকে যেতে খুব কম সময়ই লাগে। সপ্তাহের শেষে এখানকার নিরিবিলি শান্ত পরিবেশে থাকলে যে কারও মন শান্ত হবে।
খাজিয়ার, হিমাচল প্রদেশ -
অনেকেই বলেন এটা ভারতের 'মিনি স্যুইজারল্যান্ড'। দেবদারু গাছে ঢাকা এই উপত্যকায় হানিমুনের জন্যেও অনেকে আসেন। বহু হিন্দি সিনেমার শ্যুটিং হয় এখানেই। যা দেখে অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন এটা ভারতের কোনও জায়গা না বিদেশের।
সারাহান, হিমাচল প্রদেশ -
বিশেষত অক্টোবরে মাসে এখানে ঘুরতে আসার পরামর্শ দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কারণ ওই সময়ই সারাহানের প্রতিটা বাড়ির বাগানের আপেল গাছ ফলে ভরে থাকে। অনেকেই ওই সময়টা শুধু আপেল বাগানের শোভা দেখতেই পৌঁছে যায় সারাহানে। সিমলা থেকে এখানে যেতে খুব কম সময়ই লাগে।