Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

নিয়মিত এক্সারসাইজ, সঙ্গে বাড়ির খাবার, চল্লিশেও লাগবে সুইট সিক্সটিন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন কয়েক ধরেই শরীরটা ভালো যাচ্ছে না ইন্দ্রাণীর। অল্পতেই বড্ড ক্লান্ত লাগছে আজকাল। হাঁপিয়ে উঠছেন খুব তাড়াতাড়ি। আর হবে নাই বা কেন। নয় নয় করে বয়স পৌঁছে গিয়েছে চল্লিশের কোঠায়। কিন্তু রোজনামচা তো একটুও বদলায় নি। ২৫ বছরেও যতটা পর

নিয়মিত এক্সারসাইজ, সঙ্গে বাড়ির খাবার, চল্লিশেও লাগবে সুইট সিক্সটিন

শেষ আপডেট: 17 August 2018 13:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন কয়েক ধরেই শরীরটা ভালো যাচ্ছে না ইন্দ্রাণীর। অল্পতেই বড্ড ক্লান্ত লাগছে আজকাল। হাঁপিয়ে উঠছেন খুব তাড়াতাড়ি। আর হবে নাই বা কেন। নয় নয় করে বয়স পৌঁছে গিয়েছে চল্লিশের কোঠায়। কিন্তু রোজনামচা তো একটুও বদলায় নি। ২৫ বছরেও যতটা পরিশ্রম করতেন। আজও তাই। বরং দায়িত্ব-কর্তব্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কাজের চাপ আর পরিশ্রম। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির বিস্তর কাজ, স্বামী, সংসার সব সামলে নিজের জন্য আর সময় কই? আর ঠিক এই খানেই ইন্দ্রাণীর মতোই ভুল করেন হাজার হাজার মহিলা। শরীরের প্রতি অনিয়ম, অবহেলা অসময়ে আপনার ডেকে আনতে পারে নানা রোগ। তাই নিজের প্রতি যত্ন নিন। সব কাজ সামলেও দিনে খানিকটা সময় দিন নিজেকে। দেখবেন শরীরের সঙ্গে সঙ্গে মনও ভালো থাকবে। লোকে বলবে না বয়সের ভারে আপনি বুড়িয়ে যাচ্ছেন। বরং বলবে চল্লিশেও আপনি সুইট সিক্সটিন।   তবে কেবল যে চল্লিশের কোঠাতে গেলে তবেই নিজের প্রতি যত্ন নেওয়া শুরু করবেন তা কিন্তু একেবারেই নয়। এই অভ্যাস শুরু করুন একেবারে টিন এজ থেকেই। কারণ জানবেন বয়স ২০ হোক বা ৩০ কিংবা ৪০----প্রতি ধাপেই মহিলাদের শরীরে কিছু না কিছু পরিবর্তন হয়। আর সেই সমস্ত পরিবর্তনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শরীরকে ঠিক রাখতে নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়াটা ভীষণ জরুরি। তবে নিজের দিকে খেয়াল রাখতে গিয়ে মহিলারা প্রতিদিন কিছু না কিছু ভুল করে থাকেন। ভুলটা অজান্তে হলেও বিষয়টা মারাত্মক হতে পারে আপনার জন্য।

এক নজরে দেখে নিন কী কী করবেন না:-

*চিকিৎসকেরা বলে থাকেন শরীর ঝরঝরে রাখতে দিনে আধঘণ্টা এক্সারসাইজ করাই যথেষ্ট। অন্তত রোজ ১০ থেকে ১৫ মিনিট নিজের জন্যে খরচ করলেও উপকার হয় অনেকটা। কিন্তু এক্ষেত্রে সবচেয়ে কমন অজুহাত হলো ব্যস্ততা। তবে কোনও মানুষ বোধহয় দিনে এতটাও ব্যস্ত থাকেন না যে ১০ মিনিট সময় বের করা যায় না। আসল ব্যাপারটা হলো ইচ্ছে। তাই এ বার থেকে সমস্ত অজুহাত ঝেড়ে ফেলে প্রতিদিন নিয়ম করে নিজের জন্য ১০ মিনিট খরচ করুন। হাল্কা যোগাসন অভ্যাস করুন প্রতিদিন। আর যদি জিম যান বা ভারী কোনও এক্সারসাইজ করেন তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। *ডায়েট করা হাল ফ্যাশনের ট্রেন্ড। পরিচিত কাউকে ডায়েট করতে দেখলেই 'আমাকেও এ বার ডায়েট করতে হবে' এই মনোভাব ঝেড়ে ফেলুন। বরং আপনার মেটাবলিক রেট কত, কতটা ক্যালরি আপনার শরীরে দরকার এগুলো জানার চেষ্টা করুন। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কিছুতেই ক্র্যাশ ডায়েট করবেন না। তাতে সাময়িক ভাবে ওজন হয়তো কমবে। কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গে নানা রকমের ঘাটতি দেখা দেবে আপনার শরীরে। যার জেরে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন খুব তাড়াতাড়ি। *আজকাল বেশিরভাগ অফিসেই কাজের চাপ মারাত্মক। কিন্তু ওই একটি চেয়ারে বসেই কাজ আপনার। আর চোখের সামনে সর্বক্ষণের সঙ্গী কম্পিউটার। আর সারাদিন একই জায়গায় বসে কাজ করার ফলে আপনার শরীরে বাসা বাঁধা নানা জটিল রোগ। সঙ্গে ঘাড়, মাথা, কাঁধ, কোমর, পিঠ ব্যথা তো রয়েইছে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ কাজের ফাঁকে মাঝে মাঝে চেয়ার ছেড়ে উঠে দু'পাক হেঁটে আসুন। সবসময় অবশ্য অফিসে এমন পরিস্থিতি থাকে না। কিংবা কাজের চাপে সুযোগ হয়ে ওঠে না। কিন্তু যখনই একটু ব্রেক পাবেন খানিকটা হাঁটাহাঁটি করে ফেলুন। *একুশ শতকে ব্যস্ত জীবনে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় খাওয়াদাওয়ায়। বিশেষত কর্মরত মহিলাদের ক্ষেত্রে এটা নিত্যদিনের সমস্যা। সকালে অফিস বেরোনোর আগেও কোনও মতে ব্রেকফাস্ট সারতে হয়। আর বাকি দিনটাও চলে সেই ভাবেই। লাঞ্চ থেকে ডিনার সবেতেই অনিয়ম। তার মধ্যে মাঝে মাঝেই বাইরের খাবারও খাওয়া হয় প্রচুর পরিমাণে। সময়ের অভাবে আমরা সবাই আজকাল 'রেডি টু ইট' ধারণায় বিশ্বাসী। অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি জল খাওয়া হয় কম পরিমাণে। আর এই সবের ফলেই শরীরে দেখা দেয় নানা জটিল রোগ। তাই নিজের খাওয়া দাওয়ার প্রতি নজর দিন। সময়ে খান। কম তেলমশলা যুক্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। আর বাইরের খাবার এড়িয়ে চলে যতটা সম্ভব বাড়িতে রান্না করা খাবার খান। তবে সবসময় যে এত কড়া নিয়মে থাকতে হবে তা নয়। মাঝে মধ্যে ওয়ার্কআউটে ফাঁকি দেওয়া চলতেই পারে। কিংবা কোনওদিন রসনা তৃপ্তির জন্যে খেয়ে নিতেই পারেন পছনের মোগলাই ডিশ। তবে অবশ্যই এইসব করবেন মাঝে মাঝে। শরীরের উপর অত্যাচার না করে বরং লাগাম দিন। অনিয়ম শিকেয় তুলে সুস্থ জীবনের ট্র্যাকে ফিরুন। ফিট থাকুন। ভালো থাকুন।

```