ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে? কী কী করবেন বা করবেন না, রইল চেকলিস্ট
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডায়াবেটিসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তবে একইসঙ্গে ডায়াবেটিস-জনিত কোনও জটিলতা দেখা দিলে তার যথোপযুক্ত চিকিৎসাও করা দরকার। পাশাপাশি, যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ডায়াবেটিসের কারণে
শেষ আপডেট: 21 January 2021 07:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডায়াবেটিসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তবে একইসঙ্গে ডায়াবেটিস-জনিত কোনও জটিলতা দেখা দিলে তার যথোপযুক্ত চিকিৎসাও করা দরকার। পাশাপাশি, যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ডায়াবেটিসের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, সেগুলির দিকেও বিশেষ নজর রাখা জরুরি। এক একজন ডায়াবেটিস রোগীর জন্য চিকিৎসা পদ্ধতির একটু তারতম্য হতে পারে। কিন্তু সকল ডায়াবেটিস রোগীর জন্য মূল নীতি একই। এখানে রইল ডায়াবেটিস ম্যানেজমেন্টের কিছু টিপস।
- ১. একটা নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট মেনে খাওয়া দাওয়া করা উচিত। প্রয়োজনে বছরে একবার করে ডায়েটিসিয়ানকে দেখিয়ে নেওয়া দরকার। কারণ ব্যালেন্সড ডায়েটই কিন্তু এই অসুখের অন্যতম একটা সমাধান।

-
২. প্রতিদিন নিয়ম করে যোগব্যায়াম করা দরকার। ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে কী কী যোগব্যায়াম অভ্যাস করবেন রোজ, তার তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ান্তরে খাবারও খেতে হবে।
-
৩. ডাক্তারবাবু যে ওষুধ দিয়েছেন এবং যে সময়ে তা খেতে বলেছেন সেটা প্রতিদিন নিয়মমাফিক খেতে হবে।
-
৪. আপনি প্রতিদিন কী কী ওষুধ খাচ্ছেন, সেই ওষুধ কী কাজে লাগছে, তা নিজেকে জানতে হবে। আর সেই সঙ্গে ওষুধের একটা তালিকাও নিজের কাছে রাখতে হবে।

-
৫. নির্দিষ্ট সময়ের ফারাকে ব্লাড টেস্ট করা দরকার। এটা করলেই বোঝা যাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কতটা রয়েছে।
-
৬. রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ৭০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে থাকলে তা আদর্শ। এর চেয়ে বেশি-কম হলে খোল রাখতে হবে। গ্লুকোজ যদি ৩০০-র বেশি হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। প্রয়োজনে ইউরিন টেস্টও করাতে হবে।
-
৭. রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ও ইউরিন কিটোন টেস্টের রেজাল্টকে নোট করে রাখতে হবে, আর তারপর ডাক্তারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে হবে।

-
৮. ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়ে বছরে কমপক্ষে দুবার গ্লাইকোসিল্যাটেড হিমোগ্লোবিন টেস্টও করুন।
-
৯. চোখেরও পরীক্ষা করাতে পারেন (রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং টেস্ট) আর ইউরিনালাইসিস পরীক্ষা করাতে পারেন বছরে একবার।
-
১০. বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট করা দরকার। কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা মনিটর করতে হবে।
-
১১. প্রতি ছ'মাস অন্তর দাঁতের ডাক্তার দেখান।

-
১২. রোজ ভাল ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান।
-
১৩. ধূমপান করবেন না।
-
১৪. মানসিক চাপ নেবেন না। চেষ্টা করবেন চিন্তা কম করতে। যদি স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট না করতে পারেন তাহলে নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন, যা স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করবে।
-
১৫. রুটিনবদ্ধ জীবনযাপন করুন। পর্যাপ্ত ঘুম, খাওয়া, শরীরচর্চার মধ্যে ব্যালেন্স করে চলুন।