
শেষ আপডেট: 28 October 2023 12:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘরে ঘরে আজ কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। কোজাগরী কথার অর্থ হল 'কে জাগে রে'। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী এই দিন মা লক্ষ্মী ভরা জ্যোৎস্নায় মর্ত্যে আসেন পেঁচাকে সঙ্গে নিয়ে। তারপর গৃহস্থ বাড়ি বাড়ি ঘুরে দেখতে যান কে তাঁর জন্য জেগে প্রতীক্ষা করছে। সেই কারণে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো মূলত রাতেই হয়। কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর জন্য মূলত এই উপকরণগুলি প্রয়োজন হয়।
মনে করা হয় মা লক্ষ্মী সমৃদ্ধির দেবী। সেই কারণে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোয় অবশ্যই ধানের শিস রাখতে হয়। ধানের শিস ছাড়া কোনও ভাবেই লক্ষ্মী পুজো হবে না।
কোজাগরী পূর্ণিমার মা লক্ষ্মীর মূর্তিটি ভাল করে খেয়াল করলে দেখা যাবে এক হাতে রয়েছে ধানের শিস এবং অন্য হাতে চাঁদমালা। ফলে, ধানের শিসের পাশাপাশি চাঁদমালাও অবশ্যই লাগবে লক্ষ্মীপুজো করতে।
মা লক্ষ্মীর পুজোয় ধান ছাড়াও কয়েন, পান, কড়ি, হলুদ, ঘট, আতপ চাল, দই, মধু, চিনি, ঘি এগুলি রাখতেই হবে। প্রায় সবকটি উপাদানই সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
লক্ষ্মী পুজোর নিয়মগুলির মধ্যে অন্যতম হল আলপনা দেওয়া। মা লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ আঁকতে হয় ঘরের দোরগোড়ায়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী এই পায়ের ছাপ দেখেই মা লক্ষ্মী প্রবেশ করেন গৃহস্থের ঘরে। ইদানীং কালে অবশ্য আঠা দেওয়া নকল আলপনা বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। ফলে আলপনা দিতে না জানলে বাজার থেকে মা লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ কিনে এনেও দোরগোড়ায় লাগিয়ে দিতে পারেন।
যেহেতু পুরাণ অনুযায়ী মা লক্ষ্মী নারায়ণের অর্ধাঙ্গিনী সেই কারণে সিঁদুর, হরিতকী, কর্পূর, ঘট আচ্ছাদনের গামছা, হাঁড়ি, দর্পণ, পঞ্চগব্য, পঞ্চরত্ন, শিসযুক্ত ডাব, ফুল, দুর্বা, মধুপর্কের বাটি, ৪টি তিরকাঠি, এই জিনিসগুলিও লাগবে লক্ষ্মী পুজোর সময়ে।
এছাড়াও মা লক্ষ্মীর শাড়ি, নারায়ণের ধুতি, লোহা, শঙ্খ, হোমের জন্য কাঠ, বালি, ২৮টি বেলপাতা, ঘি এই উপাদানগুলি লাগে।