তাপমাত্রার পারদ ৪০ পেরিয়েছে আগেই, বর্ষা আসতে এখনও বেশ কিছুদিন বাকি। এই গরমে সুস্থ থাকবেন কী করে? তা নিয়েই ‘দ্য ওয়াল’ কথা বলল ডঃ দেবব্রত মুখার্জির সঙ্গে। তিনি বলছেন, বেশ কিছু টুকরো জিনিস মাথায় রাখলে অন্তত নিজেকে সুস্থ রাখা যেতে পারে। কী সেগুলো জেনে নিন...
https://www.youtube.com/watch?v=J0VW5W2P6mw
গরমে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয় বলে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়। শরীরের সোডিয়াম, পটাশিয়াম ব্যালেন্স ঠিক থাকে না। তাই নানা সমস্যা হতে পারে। সেই দিক গুলোতে নজর রাখতে হবে।
১. খুব প্রয়োজন ছাড়া একেবারেই বাইরে বেরোবেন না। দুপুর ১২ টা থেকে ৩ টে একেবারেই ঘর থেকে না বেরোনো ভালো।
২.হাল্কা সুতির জামা কাপড় পরবেন। সাদা বা হাল্কা রঙ হলে ভালো হয়।
৩. সানগ্লাস, ছাতা ছাড়া একেবারেই বেরোবেন না।
৪. সারাদিনে প্রচুর জল খাবেন। অন্তত ২ থেকে ৩ লিটার জল খাবেন।
৫. খাওয়া-দাওয়ায় সাবধানতা অবলম্বন করাটা খুব জরুরি। চেষ্টা করবেন, ডাবের জল, আঙুর, তরমুজের মতো জল বেশি আছে এমন ফল খেতে। এতে শরীরে জলের পরিমাণ অন্তত ঠিক রাখা যেতে পারে। ফাস্ট ফুড একেবারে বাদ দিয়ে দিন।
৬. এই গরমে ভাইরাল ইনফেকশন বেশি হতে পারে, হতে পারে হিট ফিভার। তাই চেষ্টা করুন গা মুছে নিতে, সম্ভব হলে একাধিকবার স্নান করে নিতে। নিজেকে একেবারেই ডি-হাইড্রেট করবেন না।
৭. এ সময়ে যদি জ্বর হয়, সেটা সাধারণ ভাইরাল হলে শুরুতে প্যারাসিটামল খেলেও মুঠোমুঠো প্যারাসিটামলে ভরসা করবেন না। ডাক্তারের কাছে যান। সাধারণ জ্বরে বিশ্রাম এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে ২ থেকে ৫ দিনে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে যদি সাধারণ জ্বর না হয়, তাহলে অবশ্যই শুধু প্যারাসিটামলে ভরসা করবেন না।
৮. হাই ব্লাড প্রেশার বা সুগার থাকলে অবশ্যই যে কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে বারবার ডাক্তারের সাথে কথা বলে নেবেন।
সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন মধুরিমা রায়