
শেষ আপডেট: 21 July 2023 09:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথায় কথায় রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে যান। প্রচণ্ড চেঁচামেচি করে বাড়ি মাথায় করেন (Anger management)। রাগ হলে আর কাণ্ডজ্ঞান থাকে না। আর সেই সময় প্রচণ্ড গরম লাগতে শুরু করে। মনে হয় কান-মাথা দিয়ে আগুন বেরোচ্ছে। যখন তখন রাগ, শরীরের তাপমাত্রা (Body Temperature) আচমকা বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে যায়, শরীরে অস্বস্তি শুরু হয়। ডাক্তারবাবুরা বলছেন, এইসব লক্ষণ একেবারেই ভাল নয়। মন-মেজাজ ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীরের তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তার জন্য ওষুধ নয়, কিছু টোটকা আছে।
অনেকেরই দেখবেন খুব বেশি গরম লাগে। তাঁদের মাথাও গরম হয় তাড়াতাড়ি। এসি ঘরেও বসেও দরদর করে ঘামেন। শরীরের তাপমাত্রা আচমকা বেড়ে গেলে এমন উপসর্গ দেখা দিতে থাকে।
মনে রাখবেন, বাইরের গরম যত বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে তত চড়ছে আপনার শরীরের তাপমাত্রাও। যদি তা কোনও কারণে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা হলে কিন্তু নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। যাঁদের কাজের সূত্রে দিনের অনেকটা সময় বাইরে কাটাতে হয়, তাঁদের শরীরের তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। যদি আপনি সিন্থেটিক মেটিরিয়ালের খুব টাইট ফিটিং জামাকাপড় পরেন, তা হলে আপনার ত্বক স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারবে না এবং সেক্ষেত্রেও তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
প্রচুর তেল-মশলাদার খাবার খান কিন্তু সেই পরিমাণ জল পান করেন না, তাঁদেরও শরীর গরম (Body Temperature) হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। সে ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোক, স্ট্রেস, র্যাশের জ্বালায় বিব্রত হতে পারেন। কেউ কেউ তো জ্ঞানও হারিয়ে ফেলেন।
থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে, হাই ব্লাড প্রেশার, হাইপারটেনশন থাকলেও শরীরের তাপমাত্রা (Body Temperature) হঠাৎ করে বেড়ে যেতে পারে। যখন তখন উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারেন রোগী। অনেক সময় টেনশন, অ্যাংজাইটিতেও এমন হতে পারে। মেনোপজের পরে মহিলাদের এমন সমস্যা বেশি দেখা যায়।
প্রচুর জল খেতে হবে। যে ঋতুতে যেমন মরশুমি ফল মেলে বাজারে, তা খাওয়াও স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভাল, তাতেও শরীরে জল ঢোকে। ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে অনেক জল বেরিয়ে যায়। তাই যাঁরা খুব ঘামেন, তাঁরা একটু বেশি জল খাবেন। তা না হলে কিন্তু ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কা রয়ে যায়।
যদি বাইরে থেকে বাড়িতে আসার পর মাথা ঝিমঝিম করছে বলে মনে হয়, তা হলে একটি বালতিতে বরফ বা বরফঠান্ডা জল নিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে মিনিট ২০ বা আধ ঘণ্টা বসুন। দেখবেন, ধীরে ধীরে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হচ্ছে।
বাইরের খোলা হাওয়ায় খুব ভোরে বা বিকেলের দিকে ওয়ার্কআউট করতে পারেন, কিন্তু দিনের বাকি সময়টা খুব কঠিন ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন (Body Temperature)।
দুষ্টু ভাইরাসদের আড্ডা বন্ধ করতে চেহারা বদলাবে ডিএনএ, জমায়েত দেখলেই ধরবে খপ করে
খুব টাইট, সিন্থেটিক পোশাক পরবেন না। সেই সঙ্গে প্রচুর প্রোটিন খাওয়ার অভ্যেস থাকলে সেটাও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
রোজ একটা করে ডাব খান। ডাবের জলে প্রচুর ইলেকট্রোলাইট থাকে, তা আপনার শরীরকে ভিতর থেকে শীতল থাকতে সাহায্য করে।
দইয়ের ঘোল মেটাবলিজ়ম বাড়াতে দারুণ কার্যকর। দইয়ের প্রোবায়োটিক, ভিটামিন, প্রোটিন শরীরে এনার্জি দেবে।
ব্লাড প্রেশার কন্ট্রোলে আছে কিনা দেখুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
ভিটামিন বি১২ আছে এমন খাবার খান। বেশি আয়োডিন দেওয়া খাবার খাবেন না। রেড মিট, বেশি নুন, জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন। চা-কফি যতটা পারেন কম খান। গ্রিন টি খেতে পারেন।