
শেষ আপডেট: 20 May 2019 13:23
জেনে নিন, আসলে কত কাপ কফি আপনার পক্ষে সমস্যার কারণ নয়, আর দিনে কখন কখন নিজেকে রিচার্জ করতে পারবেন এই কফিতেই।American Journal of Clinical Nutrition-এর একটা গবেষণা এ বিষয়ে আপনার সপক্ষেই কিছু যুক্তি দিচ্ছে। কিছুদিন আগে করা তাদের একটা গবেষণার রিপোর্টে বলা হচ্ছে, দিনে ৬ কাপের বেশি কফি খেলে কার্ডিও ভাসকুলার ডিজ়িস বাড়তে পারে, তবে ১ থেকে ২ কাপ খেলে সমস্যার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। তবে মানুষের মেটাবলিক রেট অনুযায়ী বিষয়টা আলাদা আলাদা হতেও পারে। তাহলে সেই সোনালি সংখ্যাটা আপনাকে সব সময় মাথায় রেখেই এই কফির কাপে চুমুক দিতে হবে। কখনওই ৫ কাপের বেশি কফি নয় সারাদিনে, আবার ১ থেকে ২ কাপ খেলে তো কোনও সমস্যাই নেই। টেনেটুনে পাঁচ কাপ।
সাধারণত কফিতে থাকা ক্যাফিনে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টই আপনার ব্যথা কমায়, যে কোনও রকম প্রদাহ কমায়, হার্টফেলের সম্ভাবনা অনেকটাই কমায়, বেশি দিন বাঁচতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস আছে যাঁদের, তাঁদের সুগার নিযন্ত্রণে সাহায্য করে। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্য আছে যাঁদের তাঁদেরও সিস্টেম ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে। তাই আপনার সারাদিনে কতটা কফি খাওয়া উচিত আর কখন কখন খাবেন, সেটা আপনিই বেছে নিন, আর এই এত্তগুলো সুবিধা পান। যে কোনও কিছুই খুব বেশি তো ভালো নয়, তাই ওই দিনে ৫ কাপ পর্যন্ত কিন্তু চলতেই পারে।
যেহেতু এই গবেষণায় খুব বেশি কফিও আবার ভালো নয় বলা হচ্ছে, তাই কেন ভালো নয়, তার ব্যাখ্যাও দেওয়া হচ্ছে এখানে। দিনে ৬ কাপের বেশি কফি হয়ে গেলে কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা কিন্তু বেশ কিছুটা বাড়তে পারে। কারও কারও যেমন কফি খেলে ঘুম আসে, তেমনই আবার কফি খেলে অনেকের ঘুম আসতে চায় না, কারণ কফির ক্যাফিন তাঁদের ক্ষেত্রে নার্ভকে অস্থির করে দেয়, অ্যাংজ়াইটি বাড়িয়ে দেয়, বমি বমি ভাব হয়, গলা শুকিয়ে আসে। তাই নিজের শরীর বুঝে অবশ্যই কফি খান, আর সেই কফি খাওয়ার সময়ে ওই গোল্ডেন নাম্বারটা মনে রাখবেন। দিনে ৫ কাপের বেশি কফি নৈব নৈব চ।