
শেষ আপডেট: 30 April 2019 08:31
আমরা তো মোটামুটি সকলেই জানি চুমু খেলে মন ফুরফুরে হয়। ফিল গুড হরমোন বেশি মাত্রায় ক্ষরণ হওয়ায় মানসিক চাপ অনেকখানি কমে একটি চুমুতেই। শারীরিক অনুশীলন করার মতোই চুমু শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’ নিঃসরণ করে। এ সেই হরমোন, যা আপনাকে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবৃত্তিও কমিয়ে দেয়। নিয়ম করে চুমু খেলে দাঁতের ক্ষয় কম হয়। চুমু খাওয়ার ফলে শরীরের অক্সিটোসিনের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে স্নায়ু শান্ত হয়। চুমুর সময়ে মুখের প্রায় ৩০টি পেশির নড়াচড়া হয় তাতে মুখমণ্ডলের রক্তচলাচল বাড়ে, ত্বক আরও উজ্জ্বল দেখায়। ২ মিনিট একটানা চুমুতে ডুবে থাকলে অন্তত ৬ ক্যালোরি খরচ হয়। চুমু খাওয়ার সময় হৃদপিণ্ড অধিক সক্রিয় হয়ে ওঠায় ব্যয়ামও হয়। ফলে রক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। নিয়মিত চুমু খেলে অনিদ্রার সমস্যা হয় না। নিয়মিত চুম্বনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
তবে, চুমুর কিছু বাজে গুণও আছে। চুমুতে যে পরিমাণ ব্যাকটিরিয়া এবং ভাইরাস থাকে, যা একজন থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন ধরণের ভাইরাস থেকে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে পার্টনারের। আশ্চর্যজনকভাবে জ্বরও এই চুমুর কারণে হতে পারে, যা ইনফিউশনস মনোন্যাকিউসিস নামে পরিচিত। ভাইরাস সংক্রমনের সম্ভাবনা থাকে এই চুমু থেকেই। চুমুর সময়ে একে অন্যের লালা থেকে এ সব ব্যাকটিরিয়া সংক্রমিত হয়।
কাজেই চুমু খান বুঝে শুনে, অতিরিক্ত উত্তেজনা একেবারেই হিতে বিপরীত কাণ্ড ঘটাতে পারে। তাই হাসপাতালের বিছানায়, না নিজের ঘরেরটায়,কোনটায় পৌঁছবেন সঙ্গীকে নিয়ে সেটা কিন্তু আপনারই হাতে।