
শেষ আপডেট: 16 December 2020 11:59
লক্ষণ:
১. পুরোনো স্মৃতি বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বেদনাদায়ক ও করুণ ঘটনার কথা মনে পড়ে সবসময়। রাতে ঘুম আসে না, ঘুমোলেও দুঃস্বপ্ন তাড়া করে। হঠাৎ করে দেখা ফ্ল্যাশব্যাকে ঘটনা, অপ্রীতিকর স্মৃতি মানসিক উদ্বেগের কারণ হয়। অতিরিক্ত পরিমাণে বাড়িয়ে দেয় মানসিক যন্ত্রণা।
২. যে মানুষের বা যে কারণে কষ্ট বেশি হয়, তাঁদের কথাই বারবার মনে পড়ে। পিটিএসডিতে আক্রান্ত লোকেরা সহজেই চমকে ওঠেন। সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকেন আর সবকিছু নিয়েই টেনশন নেয়, অনিশ্চয়তাতে ভোগেন।
৩. নেতিবাচক চিন্তাভাবনা, অপরাধবোধ, নার্ভাসনেস, ক্রোধের মতো ব্যাপারগুলো বেশি করে মনকে কষ্ট দেয়।
সম্ভাব্য কারণ:
১. যৌন নিপীড়ন, যুদ্ধ, প্রিয়জনের মৃত্যু বা অপরাধের মতো যেকোন আঘাতজনিত ঘটনার জন্যও পিটিএসডি'র মতো রোগ হতে পারে।
২. প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার বা কোনও ধরনের অপব্যবহার বা হামলার শিকার হওয়ার জন্যও পিটিএসডি'র লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসা:
পিটিএসডি হল একটি মানসিক রোগ। এটা ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী সাইকোথেরাপি ও ওষুধের মাধ্যমেই চিকিৎসা করা যেতে পারে। এখানে রোগীকে নতুন করে শুরু করতে বলা হয়, জীবনকে নিয়ে নতুন করে বাঁচার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়াও রোগীদেরকে উদ্বেগ ও ট্রমাকে কাটিয়ে ওঠার কৌশলও শেখানো হয়। তাঁরা যেন যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারে, তার জন্য তাঁদেরকে মানসিক ভাবে দৃঢ় করতে কাউন্সেলিং করানো হয়। নেতিবাচক আবেগগুলোকে কাটিয়ে ওঠার জন্য শ্বাসের কৌশল ও কমিউনিকেশনের ওপরে জোর দেওয়া হয় বেশি করে।