
শেষ আপডেট: 14 December 2018 18:30
যে কোনও ব্যথা কমাতে উপকারী আদা চা। গ্লাইসেমিক রেট কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে জিঞ্জার টি। এই চা বানাতে গেলে দরকার আদা কুঁচি, হাফ চামচ মধু, দু'টি তেজ পাতা, এক ইঞ্চির মতো দারুচিনির টুকরো, তিন ইঞ্চি কমলালেবুর খোসা।
জলে টগবগ করে ফুটলে সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে আঁচ কমিয়ে ফোটাতে হবে ১৫ মিনিট। তার পর ছেঁকে গরম গরম খেলেই কেল্লাফতে। নিয়মিত এই চা সর্দি-কাশি দূরে রাখতেও সাহায্য করে।
খাদ্যনালী ও পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে মধু চা। স্ট্রেস কমায়, শরীরকে ডিটক্স করে। টেস্টোটেরনের সঠিক মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে এই চা। এর জন্য দরকার, একটা গোটা লেবু, হাফ চামচ হলুদ গুঁড়ো, হাফ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো ও দেড় চামচ মতো মধু।
বানানোর জন্য প্রথমে গোলমরিচ ও হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে গরম জলে ফোটাতে হবে। তারপর তাতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।
অশ্বগন্ধা যে কোনও রোগের মোক্ষম দাওয়াই। বিশেষত রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিডনি ভালো রাখে এবং স্ট্রেস কমায়। রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে। এই চা বানানো খুব সহজ। দরকার পাঁচ ইঞ্চির মতো অশ্বগন্ধা মূল ও এক চামচ মধু।
ভালো করে মূল ধুয়ে জলে অন্তত ১৫-২০ মিনিট ধরে ফোটাতে হবে। নামানোর আগে মধু মিশিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।
তুলসি পাতা খাওয়ার সবচেয়ে ভাল উপায় চায়ের মাধ্যমে। তুলসি চা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে জীবাণুর সংক্রমণ রুখতে ও ত্বকের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও উপকারি তুলসি। এক কাপ হার্বাল চায়ের জন্য ১/৪ কাপ তুলসি পাতা জলে ফুটতে দিন। ফুটে গেলে আঁচ কমিয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এর মধ্যে ১ চা চামচ মধু ও ২ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খান।
হজমের সমস্যা, পেটের অস্বস্তি নিমেষে দূর করতে দারুণ কার্যকর মেন্থল চা বা পেপারমিন্ট টি। নিউট্রিশনিস্টদের মতে মিন্ট আর রোজমেরির যুগলবন্দি নাকি যে কোনও শারীরিক সমস্যায় কার্যকরী। এই চা বানানোর জন্য দরকার, ১০ টা মিন্ট পাতা, একটা রোজমেরি, আর লেবু দরকার মতো।
বানানোর জন্য মিন্টের পাতা ছিড়ে জলে ফোটাতে হবে। তাতে রোজমেরি মিশিয়ে অন্তত ১০ মিনিট ফুটিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে লেবুর রস মিশিয়ে স্বাদ বাড়াতে পারেন।