
শেষ আপডেট: 12 April 2023 13:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা। ঘামে ভিজে নাকাল। তার মধ্যেই বাসে-ট্রেনে বাদুড়ঝোলা ভিড়। ভেজা পোশাকেই অফিসে দিনভর কাজ। গলা শুকিয়ে যাচ্ছে মাঝে মধ্যেই। ক্রমাগত ঝিমুনি আসছে। বাসে-ট্রেনে যাতায়াতের সময়ে আবার অল্প-অল্প মাথাও ঘুরছে (Heat Stroke)। কাঠফাটা গরমে এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সকলেই হয়। হাঁসফাঁস, দমবন্ধ অবস্থা বা শরীর আনচান করছে—এটাই কিন্তু বিপদের প্রথম লক্ষণ। বাইরের তাপমাত্রা শরীর যে সইতে পারছে না—তা প্রথম ধাক্কায় বুঝিয়ে দেয়। এই সময়টা তাই অনেক বেশি সাবধান থাকতে হবে।
তাপপ্রবাহের দাপট বাড়ছে বাংলায়। তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদেরা। এই সময় বুক ধড়ফড় করা, নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা এমনকি হিট স্ট্রোকের (Heat Stroke) মতো বিপদও যখন তখন আসতে পারে। বিপদ এড়াতে সতর্ক থাকুন। কী কী নিয়ম মেনে চলবেন জেনে নিন।

হিট স্ট্রোকের সবচেয়ে বড় কারণ ডিহাইড্রেশন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোদে বেশি হাঁটাহাঁটি বা দৌড়োদৌড়ি করলে শরীরের জল শুকিয়ে যায়। প্রচণ্ড গরমে একটানা কাজ করলেও এমনটা হয়। শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। বাইরের তাপ আর শরীরের ভেতরের তাপের মধ্যে ভারসাম্য থাকে না। যার কারণেই শরীর আনচান করতে থাকে, নানা রকম অস্বস্তি শুরু হয়।
এটা হল প্রাথমিক দিক। এর পরের ধাপে দমবন্ধ হয়ে আসতে শুরু করে। যদি এই সময় বেশি করে জল বা ফলের রস খাওয়া যায় বা ঠাণ্ডা ঘরে বিশ্রাম নেওয়া যায় তাহলে বিপদের সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু যদি তা না নয়, তাহলেই পরের ধাক্কায় শরীরে অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। অস্বস্তি বাড়ে। শরীর বুঝিয়ে দেয় বাইরের প্রচণ্ড তাপ সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে। দরদর করে ঘাম হতে থাকে। আচমকাই ব্ল্যাক আউট হয়ে যায়। জ্ঞান হারান রোগী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরে জলের পরিমাণ কমে গেলে রক্ত ঘন হতে থাকে। মাথায় রক্তচাপ বাড়ে। শরীরের স্বাভাবিত তাপমাত্রা আর রক্তচাপের মধ্যেও সামঞ্জস্য থাকে না। যার কারণেই স্ট্রোক হয়। বয়স্কদের ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোকের (Heat Stroke) ঝুঁকি বেশি। যাদের হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, কিডনির রোগ রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে বিপদের ঝুঁকি বেশি।

কাল থেকে তাপপ্রবাহ! কোন কোন জেলায় সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দফতর