
শেষ আপডেট: 3 October 2019 16:30
ডঃ গ্রাফেনবার্গ[/caption]
উনিশশো পঞ্চাশের দশকে প্রায় ৪০০ জন মহিলাকে নিয়ে গবেষণা করেন ডঃ আর্নেস্ট গ্রাফেনবার্গ। গবেষণায় তিনি দেখেন নারীদের যোনির ওই অঞ্চলটিতে পুরুষের আঙুলের স্পর্শে যোনি থেকে ফ্যাট-ফ্রি দুধের মত ৩-৫ মিলিলিটার যৌনরস নির্গত হয় যা স্বাদে মিষ্ট ও গন্ধ প্রস্রাবের মতো। একই ধরনের রস অর্গাজমের সময় পুরুষের প্রস্টেট থেকে নির্গত হয়।
ডঃ গ্রাফেনবার্গ তাঁর গবেষণায় জানিয়েছিলেন রাত ১১ থেকে রাত ১ টা পর্যন্ত সবচেয়ে উত্তেজিত থাকে এই অঞ্চল। এই সময় যৌনাঙ্গের এই অংশটিকে সামান্য উদ্দীপিত করা হলে নারীর শরীরে চরম পুলকের অনুভূতি ও শিহরণ জাগে। কিন্তু এই জি-স্পট নারী যোনিপথের এমন জায়গায় অবস্থিত সেখানে পুরুষাঙ্গ ও জিভ পৌঁছতে পারে না, কিন্তু আঙুল পারে।
লেখার সঙ্গে দেওয়া ছবিটি থেকে আপনাকেই খুঁজে বের করে নিতে হবে আপনার সঙ্গিনীর জি-স্পট। তবে জি-স্পটে অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা হলে এটি মুত্রথলীকে মুত্রত্যাগের জন্য উদ্দীপ্ত করে। তাই আপনার সঙ্গিনীর পরিপূর্ণ ও সফল যৌনতৃপ্তির জন্য জি-স্পট-এর ওপর সঠিকভাবে অর্থাৎ ধীরে ধীরে আলতো চাপ দেওয়া উচিত হবে।
নিউরোলজিস্টরা এই অনন্য সুখানুভূতির কারণ বলেছেন। তাঁরা বলছেন এর জন্য দায়ী আমাদের মস্তিষ্কের সেরিব্রামের লিমবিক কর্টেক্স নামের অংশ। এই অংশটিকে বলা হয় মস্তিস্কের আনন্দ কেন্দ্র বা প্লেজার সেন্টার। জি-স্পটে পুরুষের আলতো স্পর্শ্ব সরাসরি নারীর মস্তিস্কের প্লেজার সেন্টারকে উদ্দীপিত করে এবং নারীকে অর্গাজম বা চরম পুলকের শিহরণ জাগানো অনুভূতি দেয়।
তাই সঙ্গিনীকে তীব্র যৌনসুখ দিতে চাইলে উদ্যমী পুরুষদের জি-স্পট খুঁজে বের করতে হবে। ধৈর্য ধরে পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে। একবার গুপ্তধন হাতে পেলে আপনাকে আর পায় কে! আপনার সঙ্গিনীর চোখে তখন আপনিই পৃথিবীর সেরা পুরুষ, আপনিই ক্যাসানোভা,আপনিই ডন জুয়ান।