
শেষ আপডেট: 27 December 2020 08:00
শীতকালে অনেকেই জল কম খান। ফলে এমনিতেই শরীরে ডিহাইড্রেশন হয়। আবার নানারকম খাবারের প্রভাব তো পড়েই শরীরে। তাই যেকোনও পার্টি বা উৎসবের পরেই বিশেষজ্ঞরা ঘন ঘন জল খেতে বলেন। এতে টক্সিন বের হয়ে যায় এবং শরীর হাইড্রেটেড থাকে।
২. বাড়িতে বানানো খাবার -
উৎসবে বাড়িতে বানানো খাবার ছুঁয়েও দেখতে ইচ্ছে করে না কারও। কিন্তু তারপরেই কাজে ফেরার আগে শরীর সুস্থ রাখতে হলে বাড়িতে বানানো খাবারের উপরেই ভরসা রাখতে বলছেন ডাক্তাররা। বাইরের খাবারের প্রভাবে যতটুকু ক্ষতি হয়, সেটুকুও কেটে যায় বাড়ির খাবার খেলে। ডাক্তাররা বলছেন যেকোনও উৎসবের আগে অন্তত এক মাস টানা বাড়ির খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
৩. মিষ্টি আলু -
সাধারণ আলুর তুলনায় মেটাবলিক রেট বাড়াতে অনেক বেশি সাহায্য করে মিষ্টি আলু। ফলে শরীরে এনার্জি ফিরে পাওয়া যায়। তাছাড়াও বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ মিষ্টি-আলু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৪. দই -
মিষ্টি দই নয়। বাড়িতে পাতা সাধারণ দই খেতে বলছেন ডাক্তাররা। দুপুরের খাবারের সঙ্গে, বা সাধারণ স্ন্যাক্সের মতো যেকোনও সময় দই খেলে টক্সিন বের হয়ে যায়। বাড়িতে পাতা দইয়ের মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, রিবোফ্লেবিন, ভিটামিন ডি, বি৬, বি১২।
৫. তেলযুক্ত মাছ -
ঠান্ডা জলের মাছ যেমন স্যালমন, ম্যাকেরেল, সারদিনস-এর মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি শরীরের মেটাবলিজম বুস্ট করে। এই মাছগুলোর মধ্যে এমন ফ্যাট থাকে যা শরীরের ক্ষতি করে না, বরং ইমিউনিটি বুস্ট করতে সাহায্য করে।
৬. সবুজ শাকসবজি -
শীতকাল মানেই বাজারভর্তি রঙ-বেরঙের সবজি। প্রতিদিনের ডায়েটে ফল, শাকসবজি রাখতে বলছেন ডাক্তাররা। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৭. মরশুমি ফল -
পেয়ারা, স্ট্রবেরি, কমলালেবু এগুলো শরীরে ইমিউনিটি বুস্ট করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফলগুলো শীতকালে প্রাকৃতিকভাবে শরীর উষ্ণও রাখে।