দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুগন্ধি যুক্ত স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টের প্রতি বিশেষ টান রয়েছে মেয়েদের। আবার অনেকেই প্রোডাক্টে অতিরিক্ত স্ট্রং স্মেল সহ্য করতে পারেন না। যাঁরা নিয়মিত ত্বকের চর্চা করেন, তাঁদের কাছে এসেন্সিয়াল অয়েল নতুন নাম নয়। এর মধ্যেই রয়েছে হালকা সুগন্ধ, সঙ্গে রয়েছে হাজারটা গুণাবলি। যা এক নিমেষে দূর করবে স্ট্রেস। একইসঙ্গে ত্বক আর চুলের সমস্ত সমস্যাও দূর করবে।
বাড়িতে বসেই পার্লারের মতো ফলাফল পেতে বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে বলছেন। এসেন্সিয়াল অয়েল অন্যান্য তেলের তুলনায় অনেক বেশি পাতলা। এগুলো একেবারে সরাসরি চুল, বা ত্বকে ব্যবহার করতে নেই। কোনও প্রোডাক্টের সঙ্গে, বা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিয়মিত ব্যবহার করলে কী কী হবে।
১. ত্বকের বলিরেখা দূর হবে।
২. দাগছোপ, পিগমেন্টেশন দূর হবে।
৩. ব্রণ, ব্রেক আউটসের সমস্যা রাতারাতি কমে যাবে।
৪. ত্বক দীর্ঘক্ষণ হাইড্রেটেড থাকবে।
৫. নতুন চুল গজাবে।
৬. চুল-পড়া কমবে।
৭. খুসকির সমস্যা মিটে যাবে।
৮. স্ট্রেস কমবে।
৯. হাত, পায়ের ফুসকুড়ির সমস্যা দূর হবে।

ত্বকের পরিচর্যায় এসেন্সিয়াল অয়েল।
এই শীতেই ত্বকের সমস্ত সমস্যা চটজলদি দূর করতে এসেন্সিয়াল অয়েল দিয়ে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন একটি প্রোডাক্ট। তার জন্য প্রয়োজন, ৫০ এমএল আর্গন অয়েল, ৫০ এমএল রোজহিপ অয়েল, ২ এমএল ফ্র্যানকিনসেন্স, ২ এমএল রোজমেরি অয়েল। সবগুলোই ভীষণ ভালভাবে মিশিয়ে একটা কালো কাঁচের শিশিতে রেখে দিন। প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক আগের চেয়ে অনেক বেশি নরম, আর উজ্জ্বল দেখাবে।
চুলের যত্নে
শীত মানেই তো চুলের একাধিক সমস্যা। চুল-পড়া থেকে শুরু করে খুসকি, সমস্ত সমস্যা মেটাতে ভরসা রাখুন এসেন্সিয়াল অয়েলের উপর। ১০ এমএল অলিভ অয়েলের সঙ্গে ৬ ফোঁটা প্যাচুলি এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেললেই, আগের চেয়ে অনেক বেশি নরম, ঝকঝকে দেখাবে।

স্ট্রেস কমাতে
স্নানের সময় জলের মধ্যে অল্প কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এই জলের গন্ধেই যেমন স্ট্রেস কমবে, তেমনই ত্বক আরও স্মুদ, মোলায়েম থাকবে।
সতর্কতা
১. এসেন্সিয়াল অয়েল কেনার আগে এর গুণাবলি সম্পর্কে জেনে, ত্বকের ধরন এবং প্রয়োজনীয়তা বুঝে তবেই ব্যবহার করবেন।
২. চুলে, ত্বকে ব্যবহার করার আগে অ্যালার্জি টেস্ট করানো বাধ্যতামূলক।
৩. সরাসরি কখনই ব্যবহার করবেন না।
