শেষ আপডেট: 17 November 2020 14:07
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি টিউলিপ গাছ লাগানো হবে পরের বছর। থাকবে ৬২০০ প্রকারেরও বেশি বৈচিত্র্যময় টিউলিপ ফুলের সম্ভার। ৫.৩ লক্ষের বেশি টিউলিপ ফুলের কুঁড়ি যদিও বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে এই বাগানেই পোঁতা হবে ২০ হাজার ড্যাফোডিল ফুল ও ৬০ হাজার হায়াসিন্থ ফুলের গাছ। সম্প্রতি কাশ্মীরের ফ্লোরিকালচার ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর ফারুক আহমেদ রেদার ও ফ্লোরিকালচার, গার্ডেনস অ্যান্ড পার্কসের সেক্রেটারি শেখ ফায়াজ আহমেদের মধ্যে একটি মিটিং হয়। সেখানেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।
এশিয়ার সবথেকে বড় টিউলিপ ফুলের বাগান কাশ্মীরে। শ্রীনগরের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল টিউলিপ গার্ডেন জুড়ে এইবছরও ১.৩ মিলিয়নের বেশি টিউলিপ ফুলের কুঁড়ি ফুটেছিল। যদিও প্যানডেমিকের জন্য পর্যটকরা দেখতে পারেন নি এবছরের ফুলের শোভা।
লকডাউনের কারণে এবছর আসতে পারেননি কেউই। অনেকেই সেই নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। কারণ এই টিউলিপ ফেস্টিভ্যাল দেখার জন্য প্রত্যেক বছরই পর্যটকরা মুখিয়ে থাকেন।
টিউলিপ ফেস্টিভ্যালের জন্য যুক্ত কর্মকর্তাদের মনখারাপ হলেও তাঁরা কিন্তু চুপ করে বসে থাকেননি। ২০২১ সালের জন্য জোর কদমে শুরু হয়ে গেছে প্রস্তুতি। এই সংক্রান্ত একটি মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় শ্রীনগরের ছটি মুগল গার্ডেন, যেগুলো ইউনেস্কো হেরিটেজ সাইটের অধীনে আছে, সেগুলোই আরও সুন্দর করে সাজাবেন তাঁরা।
কাশ্মীরের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা বাকি বাগানগুলোকেও সাজানোর জন্য প্রস্তুতি নেবেন বলে জানা যাচ্ছে। ২০২১এর পথ চেয়ে আছেন পর্যটকেরাও।