মোবাইল ফোন যত বাজবে ততই বাড়বে বিপদ, হতে পারে ক্যানসারও, জেনে নিন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যস্ত জীবন, গতি বাড়ছে ক্রমশ। তাই আমরা পাশের বাড়ির মানুষটিরও খোঁজ মোবাইল ফোনে নিয়ে থাকি। দিনের অধিকাংশ সময় কাটাই মোবাইল ফোনে। পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে, তাতে আমাদের জীবনে মোবাইল ফোন আর প্রয়োজনীয়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং
শেষ আপডেট: 6 January 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যস্ত জীবন, গতি বাড়ছে ক্রমশ। তাই আমরা পাশের বাড়ির মানুষটিরও খোঁজ মোবাইল ফোনে নিয়ে থাকি। দিনের অধিকাংশ সময় কাটাই মোবাইল ফোনে। পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে, তাতে আমাদের জীবনে মোবাইল ফোন আর প্রয়োজনীয়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা অনেক বেশি আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। আর সেখানেই বাড়ছে বিপদ। গবেষকরা বলছেন, মোবাইল ফোনের ব্যবহার যতবেশি বাড়বে, ততই তা আমাদের শরীরকে অকেজো করবে। চোখ থেকে হার্ট, সবই ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করবে। অজান্তেই হয়ে যেতে পারে ক্যানসারও।

মোবাইল ফোনের অপকারিতা নিয়ে গবেষণা অনেকদিনের। তবে, সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি রিপোর্টকে পর্যবেক্ষণ করেছে মিসৌরি ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। যেখানে বলা হচ্ছে,
- মোবাইল ফোন কাছাকাছি রাখলে সবচেয়ে বেশি স্তন ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। মোবাইল ফোন বন্ধ থাকলেও তার থেকে ক্রমাগত ক্ষতিকারক রেডিয়েশন বেরোতে থাকে। যা মহিলাদের পক্ষে ক্ষতিকারক। অনেক সময় কথা না বললেও মোবাইল ফোন আমাদের আশেপাশেই থাকে। কখনও ঘুমন্ত অবস্থায় বুকের উপর, কখনও হাতের মুঠোয়। যা বিপদের কারণ। গবেষকরা জানাচ্ছেন, ফোন থেকে বার হওয়া রেডিয়শনই মিশছে শরীরে। সেখান থেকেই স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
- রেডিয়েশন ক্ষতি করছে পুরুষদেরও। মোবাইল ফোনের বেশি ব্যবহারের ফলে কমতে পারে পুরুষদের যৌন ক্ষমতা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমবে ক্রমশ।
- চোখের উপর মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনের প্রভাব মারাত্মক। বেশি ফোন ব্যবহারের ফলে কমতে পারে দৃষ্টি শক্তি। শুকিয়ে যেতে পারে চোখ। ঘাড় নীচু করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলে চ্যাটিং, ভিডিও কলিং সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে। ফোনের আলোয় সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে রেটিনা।
- মোবাইল ফোন দিনের বেশির ভাগ সময়ে বেজে চললে মস্তিষ্কে প্রভাব পড়তে পারে । যে কোনও সময় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে ।
- এছাড়াও থাইরয়েড ক্যানসার, লিউকোমিয়ার মতো কঠিন রোগ ডেকে আনছে মোবাইল ফোনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, সমস্যা সমাধানের পথ একটাই । আর তা হল মোবাইল ফোনের কম ব্যবহার । শরীরের কাছাকাছি মোবাইল ফোন না রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা । ফোনে কথা বলুন, তবে সীমিত । ডাক্তারদের পরামর্শ, ফোনে নয় আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের খোঁজ নিন । প্রতিবেশীর সঙ্গেও মাঝেমাঝেই জমিয়ে আড্ডা দিন । সবমিলিয়ে রাশ টানুন মোবাই ফোন ব্যবহারে , তাহলেই পাবেন রোগমুক্ত সুস্থ জীবন ।