
শেষ আপডেট: 22 December 2020 06:44
দুপুরে খাবারের পরে, সন্ধে বেলায় টিভিতে সিনেমা, সিরিয়াল চালিয়ে অনেকেই মুখরোচক খাবার নিয়ে বসেন। বলাই বাহুল্য এগুলো একটাও শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ক্ষিদে না পেলেও এই খাবারগুলো খেতে খেতেই সময় কাটাতে পছন্দ করেন সবাই। এমন তৈলাক্ত, মশলাদার খাবার থেকেই কিন্তু ওজন বেড়ে যায়।
২. স্ট্রেস -
রোজকার ব্যস্ততার জীবনে এখন হাজার একটা সমস্যা। বাড়িতে, অফিসে, ব্যক্তিগত জীবনের হাজারটা সমস্যা মেটাতে মেটাতেই অতিরিক্ত স্ট্রেস পড়ে অনেকের। সেই থেকেই দেখা যায় মিষ্টি খাওয়ার প্রতি অনেকের ঝোঁক বাড়ে। আবার কাজের মধ্যে তাড়াতাড়ি খেয়ে নেওয়ার তাড়া থাকলে ফ্যাট জাতীয় খাবারের প্রতি অনেকে ঝোঁকেন। সেটাও মেদ বেড়ে যাওয়ার কারণ।
৩. একাকীত্ব -
একাকীত্বে ভুগলে খুব তাড়াতাড়ি ক্ষিদে পেয়ে যায় অনেক সময়। তখনই কম সময় অন্তর অন্তর নানা ধরনের খাবার বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলেন অনেকে। খাবারের সাহায্যে মন ঘোরানোর চেষ্টা করেন বহু মানুষ। এভাবেও ওজন বেড়ে যায় অনেকের।
৪. আনন্দ -
আনন্দের খবর পেয়েই উচ্ছ্বসিত হয়ে অনেকেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটা দেখা যায় মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন অনেকে। আবার তৈলাক্ত, মশলাদার খাবার খেতেও অনেকে পছন্দ করেন। বাড়িতে খুশির খবর ছড়িয়ে পড়লেই সাধারণত মিষ্টিমুখ করাতে চান অনেকে। আবার কেউ কেউ সবসময়ই মজা করেন, খুশিতে থাকেন। এমন মেজাজের মানুষেরাও অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। ফলে ওজন বেড়ে যায়।
৫. ফ্রাস্ট্রেশন -
কাজের বা ব্যক্তিগত জীবনের চাপ থেকে কখনও কখনও দূরে সরে থাকতে চান অনেকে। সেই সময় খাবার নিয়েই সময় কাটাতে পছন্দ করেন অনেকে। কখনও আবার মন ডাইভার্ট করতেও খেয়ে ফেলেন বেশি। অতিরিক্ত চাপের কারণে ফ্রাস্ট্রেটেড লাগলে বেশি খেলেই ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।