
শেষ আপডেট: 26 September 2018 18:30
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সবচেয়ে আগে নুন খাওয়া কমাতে হবে। কাঁচা নুন তো নৈব নৈব চ। রান্নাতেও যতটা সম্ভব নুন কম দিন। অতিরিক্ত নুন রক্তে মিশে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়ায় এবং দেহে সোডিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করে। ফলে রক্তচাপ হু হু করে বাড়তে থাকে। কিডনির উপরেও এর যথেষ্ট প্রভাব পড়ে।
তেল মশলাদার খাবারকে বলুন গুডবাই। ফ্রায়েড খাবারের বদলে ডায়েট তালিকায় রাখুন সবুজ সব্জি। সিদ্ধ সব্জি বা অল্প তেলে রান্না সব্জি শরীরে ক্যালোরির মাত্রা ধরে রাখে। ফাইবার সমৃদ্ধ সবুজ সব্জিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ফোলেট যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ওজন কমাতে এবং এনার্জি বাড়াতে ওটসের কোনও বিকল্প নেই। ডায়েটিশিয়ানরা প্রাতরাশে ওটস খাওয়ারই পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ওটসে সোডিয়ামের মাত্রা খুব কম, তা ছাড়া রয়েছে উচ্চমাত্রায় ফাইবার যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম যা রক্তচাপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। প্রাতরাশ, স্ন্যাকস দিনের যে কোনও মিলেই কলা রাখার চেষ্টা করুন।
অ্যামিনো অ্যাসিড এল-সিট্রুলিন সমৃদ্ধ তরমুজ শুধু রক্তচাপ নয়, শরীরের নানা সমস্যা দূর করে। এতে রয়েছে লাইকোপিন, পটাসিয়াম, ভিটামিন এ এবং ফাইবার যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
নিউট্রশনিস্টরা জানাচ্ছেন, কমলালেবুর রসের সঙ্গে ডাবের জল মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন। দিনে ২ থেকে ৩ বার এই মিশ্রণ খেলে রক্তচাপ অনেক নিয়ন্ত্রণে থাকে।
শশাতে জলীয় উপাদান খুব বেশি থাকে। ওজন কমানো হোক বা ডায়াবিটিসের সমস্যা, শশা যে কোনও ক্ষেত্রেই খুব উপকারী। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ডায়েটে শশার রায়তা খেলে রক্তচাপ কমে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।
হাইপারটেনশন বশে রাখতে ভারতীয় আয়ুর্বেদ মতে সবচেযে উপকারি হল মধু। এর নানা গুণ। যে কোনও রোগের আদর্শ প্রতিষেধক হতে পারে মধু। এক কাপ উষ্ণ গরম জলে এক চামচ মধুর সঙ্গে ৫-১০ ফোঁটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে প্রতিদিন প্রাতরাশের আগে খান। অনেক উপকার পাবেন।