
শেষ আপডেট: 16 January 2024 18:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন চলে যাবে নিমেষে। ৮ ঘণ্টার জার্নিতে সময় লাগবে মাত্র দেড় ঘণ্টা। শব্দের চেয়ে দ্রুতগতিতে উড়বে। সাধারণ বিমান বা ফাইটার জেটের গতি তো দূর, সুপারফাস্ট সুপারসনিক বিমান কনকর্ড টারবোজেটের গতিকেও হার মানাবে এটি। বিশ্বের দ্রুততম এয়ারক্রাফ্ট বানিয়েছে নাসা। নতুন প্রজন্মের এই বিমান খুব তাড়াতাড়িই আসতে চলেছে।
নাসার সুপারসনিক এয়ারক্রাফ্টের নাম এক্স-৫৯ (X-59)। বিমান ও বিমানের যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক সংস্থা লকহিড মার্টিনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই বিমান তৈরি করেছে নাসা। এটি একটি নতুন প্রজন্মের বাণিজ্যিক বিমান, যা শব্দের গতির চেয়েও দ্রুত।
নাসার ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাম মেলরয় বলেছেন, “এয়ারক্রাফ্ট এক্স-৫৯ গতির সংজ্ঞাই বদলে দেবে। শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে উড়বে এই বিমান। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই পৌঁছে যাবে গন্তব্যে। এই বিমান নিরাপদ এবং এর ডিজাইন, যন্ত্রপাতিও খুব আধুনিক।” নাসার আর্মস্ট্রং ফ্লাইট রিসার্চ সেন্টার থেকে এই বিমানের পরীক্ষামূলক উড়ান হয়েছে। নাসা জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে লকহিড মার্টিন এমন অনেক বিমান তৈরি করা শুরু করবে।
এক্স-৫৯ শব্দের গতির ১.৪ গুণ গতিতে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা ৯২৫ মাইল প্রতি ঘন্টার সমতুল্য। এর নকশা, কাঠামো এবং প্রযুক্তি খুবই আধুনিক বলে জানিয়েছে নাসা। বিশ্বের প্রথম দ্রুততম সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান ছিল কনকর্ড। সেটিও ছিল সুপারসনিক এয়ারক্রাফ্ট। কিন্তু ২০০৩ সালের পর এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
লকহিড মার্টিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জন ক্লার্ক বলেছেন, এক্স-৫৯ এয়ারক্রাফ্টের আরও একটি বৈশিষ্ট্য হল, এটি ওড়ার সময়ে কোনও শব্দ করবে না। এই বিমান লম্বায় ৯৯.৭ ফুট এবং ২৯.৫ ফুট চওড়া। নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন মাত্র দেড় ঘণ্টায় পৌঁছে দিতে পারবে এই বিমান। এক্স-৫৯ যাত্রীদের সময় বাঁচাবে, যাত্রাপথের সময় অনেকটাই কমিয়ে দেবে বলে জানিয়েছেন জন। চলতি বছরের শেষের দিকে এই বিমানটি প্রথম যাত্রী নিয়ে উড়বে বলে জানা গেছে।