
মহম্মদ ইউনুস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শেষ আপডেট: 20 March 2025 10:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু সম্রদায়ের (minority communities) উপর নিপীড়ন (persecution), নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুলল হোয়াইট হাউস (White House)। সে দেশের গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড (US intelligence chief Tulsi Gabbard) গত সোমবার বাংলাদেশের দীর্ঘ সময় ধরে হিন্দু (Hindu) এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলে সরব হন। ভারতীয় সময় বুধবার একই কথা বলেছেন হোয়াইট হাউস তথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখপাত্র ট্যাম্মি ব্রুশ।
তাঁর কথায়, বাংলাদেশ সরকার হামলা বন্ধে কী পদক্ষেপ করে সে দিকে নজর রাখছে মার্কিন প্রশাসন। তিনি বলেছেন,পৃথিবীর যে কোনও দেশেই সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করা হলে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকি।
ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, মহম্মদ ইউনুসের সরকার কার্যকর পদক্ষেপ না করলে মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশের উপর বিধিনিষেধ (imposition of sanction) আরোপ করতে পারে। এই ধারণার অন্যতম কারণ অল্পদিনের ব্যবধানে দুই মার্কিন শীর্ষ কর্তার বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ।
তুলসী গ্যাবার্ডের সমালোচনার কড়া নিন্দা করে বিবৃতি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। সংখ্যালঘুর উপর হামলার অভিযোগ নসাৎ করে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক পরিষদ যে ২২০০ হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করেছিল সেগুলি মানতে চায়নি অন্তর্বর্তী সরকার। ওই সব হামলা হয়েছিল গত বছর ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের মাস দুয়েকের মধ্যে।
তারপরও হামলার ঘটনা পুরোপুরি থামেনি। বুধবারই লক্ষ্মীপুর জেলায় হিন্দুদের কয়েকটি বাড়িতে আগুন দিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। প্রতিবেশীরা অনেক চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরগুনায় সংখ্যালঘু পরিবারের এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর তার বাবাকে খুন করে দুষ্কৃতকারীরা। মন্দিরে হামলা, মূর্তি ভাঙার বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। পুলিশ জানিয়েছে বরগুনার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। ধর্ষিতা কিশোরীর পরিবারের বক্তব্য, বাবাকে খুনের ভয় দেখিয়ে মামলা তোলার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। পুলিশকে বিষয়টি জানালেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি।