মার্কিন বিদেশ দফতর বলছে, ভিসা হল একটি 'প্রিভিলেজ', কোনও দেশের স্বাভাবিক অধিকার নয়। তাই আবেদনকারীকে স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি যোগ্য এবং ভিসার শর্ত ভঙ্গ করবেন না।
.jpg.webp)
ছবি- এআই
শেষ আপডেট: 29 March 2026 11:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন ভিসার (US Visa) জন্য আনা হল আরও কঠোর নিয়ম। এবার থেকে আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল পর্যন্ত খতিয়ে দেখবে মার্কিন প্রশাসন। ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন নিয়মে আবেদনকারীদের অনলাইন কার্যকলাপ আরও বিস্তৃতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
মার্কিন সরকারি দফতর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই বাড়তি নজরদারি। সংস্থার মতে, “প্রতিটি ভিসা অনুমোদনই জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত সিদ্ধান্ত।”
কোন কোন ভিসায় নতুন কড়াকড়ি?
আগে শুধু ছাত্রছাত্রীদের (F, M, J) এবং H-1B কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে যেসব অস্থায়ী ভিসা ক্যাটেগরিতে (non-immigrant visa categories) এই নজরদারি বাড়ানো হল।
মার্কিন সরকার জানিয়েছে, যেসব আবেদনকারী A-3, C-3 (যদি গৃহকর্মী হন), G-5, H-3, H-4 (H-3–এর ওপর নির্ভরশীল), K-1, K-2, K-3, Q, R-1, R-2, S, T, U, H-1B, H-4, F, M এবং J ক্যাটেগরির অস্থায়ী ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাঁদের সব সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিং ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ রাখতে হবে। এতে কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীর অনলাইন কার্যকলাপ সহজে যাচাই করতে পারবে।
আগের নিয়মের মতো H-1B, H-4, F, M, J ভিসাধারীরাও থাকছেন একই কড়াকড়ির আওতায়। এখন কার্যত সব গুরুত্বপূর্ণ অস্থায়ী ভিসাই চলে এল বাড়তি সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রুটিনির মধ্যে।
সোশ্যাল মিডিয়া ‘পাবলিক’ রাখতেই হবে
ডিপার্টমেন্টের বক্তব্য, ভিসা যাচাইয়ের (Visa Verification) ক্ষেত্রে আবেদনকারীর সোশ্যাল মিডিয়ায় কেমন আচরণ তা খুঁটিয়ে দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কেন এই কড়াকড়ি?
মার্কিন বিদেশ দফতর বলছে, ভিসা হল একটি 'প্রিভিলেজ', কোনও দেশের স্বাভাবিক অধিকার নয়। তাই আবেদনকারীকে স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি যোগ্য এবং ভিসার শর্ত ভঙ্গ করবেন না। অনলাইন রেকর্ড দেখে আবেদনকারীর উদ্দেশ্য ও ব্যাকগ্রাউন্ড সহজেই যাচাই করা যায়।