Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রশান্ত মহাসাগরে চিনের দৌরাত্ম্য বাড়ছে, আকাশে চক্কর কাটছে যুদ্ধবিমান, রিপোর্ট পেন্টাগনের

প্রশান্ত মহাসাগরে চিনের দৌরাত্ম্য বাড়ছে, আকাশে চক্কর কাটছে যুদ্ধবিমান, রিপোর্ট পেন্টাগনের

শেষ আপডেট: 18 October 2023 21:40

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে চিনের দৌরাত্ম্য বাড়ছে, এমনটাই দাবি করেছে পেন্টাগন। তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত দু’বছরে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর চিনের যুদ্ধবিমানের আনাগোনা বেড়েছে।

সামরিক শক্তির বিচারে সমুদ্র, আকাশ, মহাকাশ এবং আন্তর্জাল, সব ক্ষেত্রেই নিজেদের অন্যতম শক্তিশালী হিসেবে দাবি করে আসছে চিন। ভারত মহাসাগর জুড়েও ক্রমাগত নিজেদের আধিপত্য বাড়িয়ে চলেছে তারা। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের প্রান্তে দক্ষিণ চিন সাগরে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে মরিয়া চিন। সেখানে দেখা যাচ্ছে প্রবালপ্রাচীরে ঘেরা ছোট্ট পাথুরে দ্বীপের এলাকা কৃত্রিম ভাবে বাড়িয়ে সেটিকে সামরিক ঘাঁটি বানানোর উপযোগী করে তোলা হচ্ছে।

দক্ষিণ চিন সাগরের বিতর্কিত স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত মিসচিফ রিভ, গাভেন রিফস, সুবি রিফ, কুয়ার্টেরন রিফ, হিউজ রিফের মতো কৃত্রিম দ্বীপগুলিতে ইতিমধ্যেই চিনা ফৌজ বিমানঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে। দক্ষিণ চিন সাগরের ওই বিতর্কিত অঞ্চলকে ‘নিজেদের’ বলে দাবি করে ব্রুনেই, তাইওয়ান, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামের মতো দেশও। তাদের মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা চিনা ফৌজের সাদার্ন থিয়েটার কমান্ড ওই ঘাঁটিগুলি বানিয়েছে বলে মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি।  পেন্টাগনের রিপোর্ট বলছে, দক্ষিণ চিন সাগরের ওই অঞ্চলেই রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেলের এক বিপুল ভান্ডার যা নিজেদের দখলে আনতে বহু বছর ধরেই সচেষ্ট চিন। আন্তর্জাতিক মানচিত্রে দক্ষিণ চিন সাগরের ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম। বাণিজ্যিক কারণেও এই সাগরের জলের উপর নির্ভর করে থাকে একাধিক দেশ। সমুদ্রগর্ভে লুকিয়ে আছে বহুমূল্য তেলের খনি, যা রাষ্ট্রপ্রধান এবং কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

সে কারণেই ‘কৌশলগত ঘাঁটি’ বানিয়ে নৌ-আধিপত্য বজায় রাখতে এতটা মরিয়া চিন। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের আকাশেও নিজেদের আধিপত্য রাখতে চাইছে তারা। দক্ষিণ চিন সাগরে নৌ-আধিপত্য এবং কৌশলগত ঘাঁটি ক্রমশ বাড়িয়ে চলাই শুধু নয়, চিন দাবি করছে এই সাগরের ৯০ শতাংশই তাদের। চিন, তাইওয়ান, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনামের মধ্যেকার জলভাগে একটি কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দক্ষিণ চিন সাগরের সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই রেখার নাম ‘নাইন ড্যাশ লাইন’। চিনের দাবি, ‘নাইন ড্যাশ লাইন’-এর অন্তর্গত সমস্ত এলাকাই তাদের আওতাভুক্ত। এই রেখার আয়তন হামেশাই কিছুটা করে বাড়িয়ে দেয় বেজিং। 


```