কাবুল বিস্ফোরণে ১৩ মার্কিন সেনার মৃত্যুর বদলা নিতে আফগানিস্তানে পড়ে রইল ৪০ যোদ্ধার টিম
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন সেনাবাহিনী (us army) ৩১ আগস্টের সময়সীমা মেনে আফগানিস্তান ছাড়লেও থেকে গেল ৪০ যোদ্ধার একটি দল। এরা এসএএস (SAS) বাহিনীর সদস্য। বলা হয়, এই বাহিনীর জওয়ানরা ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ মন্ত্রে বিশ্বাসী, পোড়খাওয়া, অভিজ্ঞ।
শেষ আপডেট: 31 August 2021 15:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন সেনাবাহিনী (us army) ৩১ আগস্টের সময়সীমা মেনে আফগানিস্তান ছাড়লেও থেকে গেল ৪০ যোদ্ধার একটি দল। এরা এসএএস (SAS) বাহিনীর সদস্য। বলা হয়, এই বাহিনীর জওয়ানরা ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ মন্ত্রে বিশ্বাসী, পোড়খাওয়া, অভিজ্ঞ। তাঁরা স্বেচ্ছায় আফগানিস্তান থেকে গিয়েছেন। উদ্দেশ্য একটাই, দিনকয়েক আগে অশান্ত কাবুল বিমানবন্দরে চরম নৈরাজ্যের মধ্যে জোড়া বিস্ফোরণে নিহত প্রায় ১৭০ জনের মধ্যে যে ১৩ মার্কিন জওয়ান (us jawans) ছিলেন, তাঁদের মৃত্যুর বদলা (revenge) নেওয়া। জোড়া বিস্ফোরণের দায় নিয়েছে আইসিস (খোরাসান) (isis-k) সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী। ওদের মোকাবিলা করতে চান এই ৪০ জওয়ান।
ঘটনাচক্রে এসএএস ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ফোর্সের একটি ইউনিট। পুরো নাম স্পেশাল এয়ার সার্ভিস। এরা সন্ত্রাসবাদ দমন, পণবন্দি উদ্ধার অভিযান, শত্রুর সঙ্গে সরাসরি লড়াই, গোপন অপারেশন চালানো সহ একাধিক সামরিক ক্ষমতার অধিকারী।
আরও পড়ুন--লাল ঝান্ডা উঠে যাচ্ছে, মুছে যাচ্ছে কাস্তে-হাতুড়ি, পতাকা বদলের পথে বামদল
সূত্রের খবর, পূর্ব আফগানিস্তানের খোরাসান প্রদেশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা চরম কট্টরপন্থী ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গোপন অভিযান চালাতে এসএএসের দলটি সম্ভবতঃ অশান্ত আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর ঘাঁটি তৈরি করবে। ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলার বালাই নেই। আইনের শাসন চলে না। সেই ঘাঁটি ব্যবহার করবে রয়্যাল নেভির এসবিএস স্পেশাল ফোর্স, মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স এবং ২০১১ সালে পাকিস্তানের আবোতাবাদে চুপিসাড়ে ঢুকে ওসামা বিন লাদেনকে মসৃণ অপারেশন চালিয়ে খতম করা মার্কিন নেভি সিলস বাহিনীও। আমেরিকা, ব্রিটেনের ড্রোন, বিমানও তারা পাবে।
প্রসঙ্গত, কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে জোড়া বিস্ফোরণের জবাবে পাল্টা ইসলামিক স্টেট (খোরাসান) এর এক পরিকল্পনাকারী ও জেহাদি গোষ্ঠীর আরেক সদস্যকে ড্রোন হামলা চালিয়ে খতম করে মার্কিন সেনারা। বিবৃতি দিয়ে তারা বলে, প্রাথমিক ইঙ্গিত হল, আমরা টার্গেটকে নিকেশ করেছি। কোনও সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর খবর নেই।