
হায়াও মিয়াজাকি
শেষ আপডেট: 30 March 2025 17:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ‘ঘিবলি’-ময়! সৌজন্যে ওপেন এআইয়ের সাম্প্রতিকতম আপডেট। যার ফলে জাপানের ফিল্মমেকার ও অ্যানিমেটর হায়াও মিয়াজাকির ঘিবলি স্টুডিওর একাধিক ছায়াছবির পটভূমি, চরিত্রের রং-রেখার বিন্যাসের আদলে টপাটপ যে কোনও ছবি এঁকে দিচ্ছে চ্যাটজিপিটি। স্রেফ দিতে হবে ঠিকঠাক নির্দেশ। তাহলেই কেল্লাফতে! মিম থেকে সিনারি, ছাপোষা সেল্ফি থেকে কেতাদুরস্ত পোট্রেট—সবকিছু ঘিবলির অঙ্গসজ্জায় সেজে উঠবে।
ওয়াল্ট ডিজনির মতোই স্টুডিও ঘিবলি অ্যানিমেশন বানায়। চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন, শর্ট ফিল্ম—একাধিক মাধ্যমে নিজেদের ছড়িয়ে দিয়েছে তারা। আর এই থেকে মিয়াজাকির আয়ও চোখধাঁধানো—ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪২৮ কোটি টাকা! ডিজনি থ্রি-ডি (3D) অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করলেও জাপানি স্টুডিওটি টু-ডি (2D) অ্যানিমেশনেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছে।
প্রসঙ্গত, মিয়াজাকির আয়ের বড় উৎস স্টুডিও ঘিবলি এবং সেখান থেকে প্রযোজিত একগুচ্ছ ফিল্ম। তার মধ্যে রয়েছে স্পিরিটেড অ্যাওয়ে, প্রিন্সেস মনোনকি-র মতো ছবি। মুক্তি পাওয়ার পর ‘স্পিরিটেড অ্যাওয়ে’ প্রভূত সমাদর লাভ করে৷ তার গ্লোবাল বক্স অফিস আয় ছিল ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। মুভিং ক্যাসল, প্রিন্সেস মনোকি-র আয়ও ছিল প্রায় একই রকম। চলচ্চিত্র ছাড়াও ডিভিডি বিক্রি ও স্ট্রিমিং স্বত্ব থেকেও উপার্জন করেন মিয়াজাকি। যে কারণে এতকাল পরেও বহু বছর আগে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র থেকে হয়ে চলেছে নিয়মিত রোজগার।