
শেষ আপডেট: 18 December 2023 13:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার টিকা থেকেই কি ছড়িয়েছে নানা রোগ? দক্ষিণ কোরিয়ার একদল বিজ্ঞানী এমআরএনএ ভ্যাকসিনের (mRNA Vaccine) নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে গিয়ে দাবি করেছেন, পেশি ও স্নায়ুজনিত নানা রোগের কারণ করোনার ভ্য়াকসিন। দেখা গেছে, ভ্যাকসিন যাঁরা নেননি তাঁদের থেকে যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদের প্রদাহজনিত নানা রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। এমনকী হার্টের রোগের ঝুঁকিও বেড়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি ইউনিভার্সিটি এই নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছিল। ফাইজার-বায়োএনটেক, মোডার্না, জনসন, নোভাভ্যাক্সের ভ্য়াকসিন নিয়ে গবেষণা করছিলেন তাঁরা। এইসব টিকা য়াঁরা নিয়েছেন তাঁদের পরবর্তী সময়ে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে সে নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, চোখের রোগ, পেশির প্রদাহজনিত রোগ, স্নায়ুর জটিল রোগ, অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা, ত্বকের রোগ, কান ও দাঁতের রোগ বেড়েছে টিকা নেওয়ার কারণে।
বিজ্ঞানীদের দাবি, রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা, হার্টের অসুখ বেড়েছে। এইসবই দেখা গেছে টিকার সাইড এফেক্টসের কারণেই।
করোনা ভইরাসের থাবায় যখন বিশ্ব জুড়ে কোটি কোটি মানুষের প্রাণনাশের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তখন ভরসা জুগিয়েছিল কোভিডের টিকা। কিন্তু কোভিড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়েও নানা মহলে নানা রকম মতভেদ তৈরি হয়েছিল। একদল দাবি করেছিলেন, অল্প বয়সিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধির জন্য দায়ী এই টিকা। অনেকেই আবার দাবি করেছিলেন, কোভিড আসার পরেই বেড়ে গিয়েছে অকালমৃত্যুর হার। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে কেন বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি, তা নিয়ে গবেষণা করেছিল আইসিএমআরও। তবে ভারতীয় বিজ্ঞানীরা দাবি করেছিলেন, করোনার টিকা নয় বরং জীবনযাপনে একাধিক অনিয়ম, দেদার মদ্যপান, খাদ্য়াভ্যাস, শরীরচর্চার অভাব ইত্যাদি নানা কারণে এত অসুখবিসুখ বেড়েছে।