
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 21 January 2025 16:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথগ্রহণে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে পটবদলের আঁচ করে ভিডিও কলে আলোচনা করলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন। হোয়াইট হাউসে নতুন অধীশ্বর বসায় চিন-রুশ মৈত্রী আরও সুগভীর করার লক্ষ্যে শপথগ্রহণের প্রায় অব্যবহিত পরেই কথা সেরে ফেললেন শি ও পুতিন। মঙ্গলবার চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম এই খবর জানিয়েছে।
চিনের সরকারি টিভি চ্যানেল সিসিটিভি জানিয়েছে, দুদেশের রাষ্ট্রনেতার আলোচনাটি হয় বেজিংয়ের গ্রেট হল অফ দ্য পিপল-এ। তবে বৈঠকের বিষয়ে বিশদ খোলসা করে কিছু জানানো হয়নি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত চিন নিজেকে নিরপেক্ষ ভূমিকায় রেখেছে। যদিও মস্কো ও বেজিংয়ের মধ্যে এখনও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঘনিষ্ঠ সমঝোতা বজায় রয়েছে। বিশেষত চিন এখনও পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমালোচনা না করায় ইউরোপীয় দেশগুলি তথা মার্কিন শক্তি নেতৃত্বাধীন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলি বেজিংকে সংঘর্ষের নীরব সমর্থক বলে মনে করে।
এর আগে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে 'সেরা বন্ধু' এবং পুতিনও শি-কে 'বিশ্বাসযোগ্য শরিক' বলে মন্তব্য করেছিলেন। এদিন ভিডিও কলের শুরুতেই পুতিন শিকে ডিয়ার ফ্রেন্ড বলে সম্বোধন করেন। পুতিন বলেন, তিনি চান রুশ-চিনের মধ্যে সর্বাত্মক শরিকি বন্ধুত্ব ও কৌশলগত সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে এক নতুন পরিকল্পনায়। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এই কথাবার্তার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।
পুতিন আরও বলেছেন, মস্কো ও বেজিংয়ের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত হওয়ার পিছনে অনেকগুলি জাতীয় স্বার্থবাহী ঐক্য রয়েছে বলে মনে করি। আমরা আমাদের সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছি বন্ধুত্ব, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সমর্থন, মিলমিশ থাকার কারণে। দুই মহাশক্তিধর রাষ্ট্রনেতার এই ভিডিও কল নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ, একটি পূর্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট শাসিত এবং অন্য একটি দীর্ঘদিনের কমিউনিজম প্রভাবিত দেশের অন্তরঙ্গতা আমেরিকার পক্ষে খুব একটা সুবিধাজনক হবে না ভবিষ্যতে।