ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 26 February 2025 10:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের মাস্টারস্ট্রোক। এবার অভিবাসন নীতিতে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে রোজই একের পর এক নয়া সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে চলেছেন তিনি। এবার আমেরিকার নাগরিক হতে আর বেশি ঝক্কি পোহাতে হবে না। যত শীঘ্র সম্ভব নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসাবে চালু হচ্ছে 'গোল্ড কার্ড' (Gold Card)। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৩ কোটি টাকা খরচ করলেই আমেরিকার নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে। এই কার্ড পেলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে আর কোনও বাধা থাকবে না।
এতদিন অবধি গোল্ড নয়, গ্রিন কার্ডের মাধ্যমে আমেরিকায় অভিবাসীদের (Immegration Policy) নাগরিকত্ব (Citizenship) দেওয়া হত। তবে এই কার্ড গ্রিন কার্ডেরই (Green Card) নয়া সংস্করণ বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প জানিয়ে দেন, শীঘ্রই তাঁর সরকার গোল্ড কার্ড আনছে। এই কার্ডের দাম হবে ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই কার্ড থাকলেই মিলবে আমেরিকার স্থায়ী নাগরিকত্ব। নয়া কার্ডে গ্রিন কার্ডের আগের সব সুযোগসুবিধা মেলার পাশাপাশি গোল্ড কার্ডে বাড়তি কিছু সুবিধাও মিলবে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে নয়া পরিকল্পনা চালু হয়ে যাবে। এর জন্য সংসদের অনুমোদনেরও প্রয়োজন নেই। তিনি আরও জানান, আমেরিকায় গোল্ড কার্ড বিক্রির পরিকল্পনা করেছি। এতে গ্রিন কার্ডের সুবিধাও মিলবে, যা আমেরিকায় নাগরিকত্বের নতুন পথ খুলে দেবে। ধনী ব্যক্তিরা এই কার্ড কিনে আমাদের দেশে আসতে পারবেন।
রাশিয়াকে সমর্থন করে রাতারাতি বিদেশনীতি বদলে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, সেখানকার ধনী কোটিপতিরাও গোল্ড কার্ডের মাধ্যমে আমেরিকান নাগরিকত্ব পেতে পারেন। ট্রাম্প জানান, আমি কিছু রাশিয়ান কোটিপতিদের চিনি যাঁরা খুব ভাল। আমার মনে হয়, তাঁরা গোল্ড কার্ড পেতে পারেন। কিন্তু তাঁদের প্রচুর টাকা খরচ করতে হবে এবং প্রচুর করও দিতে হবে। তবেই পরিকল্পনা সফল হবে। তবে নয়া কার্ড চালুর সপক্ষে হাজারো যুক্তি দিলেও কবে থেকে তা বাস্তবায়িত হবে তা এখনও স্পষ্ট করে বলেননি ট্রাম্প।
তবে মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে গোল্ড কার্ড আসলে এক ধরনের গ্রিন কার্ড হবে। ‘ইবি-৫ প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে অভিবাসী বিনিয়োগকারীরা মূলত আমেরিকায় গ্রিন কার্ড পেয়ে থাকেন। কিন্তু নতুন ‘গোল্ড কার্ড’ চালু হলে ‘ইবি-৫ প্রোগ্রাম’ আর থাকবে না বলেই মনে করছেন অনেকে।