দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা মহামারীর (coronavirus) (pandemic)অবসান হবে তখনই যখন গোটা বিশ্ব (world) চাইবে। এটা আমাদের হাতে। আমাদের কাছে দরকারি যাবতীয় অস্ত্র আছে। কার্যকরী জনস্বাস্থ্য হাতিয়ার, মেডিকেল সামগ্রী সবই আছে। কিন্তু সেগুলি ঠিকঠাক কাজেই লাগানো হয়নি। সপ্তাহে ৫০ হাজার করে লোক মরছে। এই মহামারী এত সহজে যাওয়ার নয়। বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) (who) প্রধান টেড্রস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস (Tedros Adhanom Ghebreyesus)।
হু শীর্ষকর্তা প্রায় নিয়ম করেই গোটা বিশ্বকে এহেন হুঁশিয়ারি (caution) দেন। ঘটনাচক্রে তিনি যখন বলছেন, করোনা মহামারী চলে যাচ্ছে না, তখনই গত কয়েকদিন দুর্গাপুজোর কয়েকটা দিন বেলাগাম ভিড়, শারীরিক দূরত্ববিধি না মানার জেরে কলকাতা সহ গোটা রাজ্যে করেনা সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমুখী। অর্থাত্ তাঁর হুঁশিয়ারির মধ্যে বাস্তবের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
বার্লিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলেনের ভাষণে টেড্রস যেসব জি ২০ দেশ ইতিমধ্যে নাগরিকদের ৪০ শতাংশকে ভ্যাকসিনের ডোজ দিয়েছে, তাদের সক্রিয়ভাবে কোভ্যাক্স মেকানিজম ও আফ্রিকান ভ্যাকসিন অ্যাকুইজিশন ট্রাস্টে (অ্যাভাট) সামিল হতে আবেদন করেছেন। হু এর ওয়েবসাইট অনুসারে কোভ্যাক্স ও অ্যাভাটের উদ্দেশ্য, দুনিয়ার প্রতিটি দেশ যাতে কোভিড ১৯ পরীক্ষা, চিকিত্সা, ভ্যাকসিনের সমান সুযোগ পায়, যথেষ্ট সংখ্যায় ভ্যাকসিন উত্পাদনে গতি আসে।
ঘেব্রেইয়েসুসের এহেন আবেদনের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্টনিও গুয়েত্রেসও জি ২০ ভুক্ত দেশগুলিকে বিশ্বব্যাপী কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের ন্যায্য বন্টন সুনিশ্চিত করতে ৮ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহে সাহায্যের আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই তিনি হু অধিকর্তার সঙ্গে সামিল হয় কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের টিকাকরণের ব্যাপারে একটি আন্তর্জাতিক কৌশল চালু করতে চেয়েছেন, যাতে চলতি বছরের শেষে সব দেশের ৪০ শতাংশ নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হবে, ২০২২ এর মাঝামাঝি ৭০ শতাংশ লোক পাবে।
সর্বশেষ খবর, এপর্যন্ত গোটা বিশ্বে নথিভুক্ত হয়েছে ২৪ কোটির বেশি করোনা সংক্রমণ কেস।