দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের সাবমেরিন (indian submarine) তাদের জলসীমায় (pakistani waters) ঢুকে পড়ার আগেই রুখে দিয়েছে, পাকিস্তানের এমন দাবির সত্যতা নিয়ে সংশয় জানাল ভারত (india)। আরব সাগরের নৌ সংক্রান্ত অপারেশনের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল লোকজনের মতে, যে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে পাকিস্তানের দাবির (claim) বাস্তবতা নেই, তা বিশ্বাসযোগ্য (credible) নয়। ওই সাবমেরিনের লোকেশন পাকিস্তানের জলসীমার অনেক দূরে ছিল বলে জানিয়েছে তারা।
পাকিস্তানের বড় মুখে করা দাবির ব্যাপারে ভারতীয় নৌবাহিনীর তরফে সরকারি প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, পাকিস্তানের জলসীমা তার উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। কিন্তু ভারতীয় সাবমেরিনের লোকেশন ছিল পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে ১৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে, অর্থাত্ পাকিস্তানের জলসীমা থেকে অনেক, অনেক দূরে।
পাক সামরিক বাহিনী মঙ্গলবারের এক বিবৃতিতে দাবি করে, ঘটনাটি ১৬ অক্টোবরের। পাক নৌবাহিনীর (pak navy) পাহারাদার বিমানের নজরে পড়ে ভারতীয় সাবমেরিনটি, সেটি পাক জলসীমা ঢোকার আগেই আটকে দেওয়া হয়। চলতি নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে পাক নৌবাহিনী দেশের জলসীমান্ত রক্ষায় কঠোর নজরদারি বহাল রেখেছে।
পাক সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই নিয়ে তৃতীয়বার পাক নৌবাহিনীর দূরপাল্লার মেরিটাইম পেট্রল এয়ারক্র্যাফ্টের চোখে আগেভাগে ধরা পড়ে গেল ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন। ঘটনার একটি সংক্ষিপ্ত ফুটেজও প্রকাশ করেছে পাক সেনা। বলেছে, শেষ এধরনের ঘটনার খবর মিলেছিল ২০১৯ এর মার্চে। ভারতীয় সাবমেরিনের পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা বানচাল দেয় নৌবাহিনী। দাবি করেছিল, তারা বিশেষ দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সাবমেরিনটিকে ঠেকিয়ে দেয়, পাকিস্তানের জলসীমায় ঢোকা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করে। ২০১৬ নভেম্বরেও একটি ভারতীয় সাবমেরিন পাক জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেটিকে শনাক্ত করে পাকিস্তানের জলসীমার অনেক আগেই তাড়া করে ফেরত্ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।