
শেষ আপডেট: 10 October 2023 17:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে, বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলি কোনও না কোনও পক্ষ নিয়েছিল। কিন্তু ভারত ছিল নিরপেক্ষ। যুদ্ধের বিরোধিতা করলেও রাশিয়ার নিন্দা করেনি ভারত। তবে ইজরায়েলের সরকারের সঙ্গে প্যালেস্টাইনপন্থী হামাস গোষ্ঠীর লড়াইয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। তিনি জানান, ইজরায়েলের এই কঠিন সময়ে ভারতের মানুষ দৃঢ়ভাবে তাদের পাশে আছে।
নরেন্দ্র মোদী আরও জানিয়েছেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁকে ফোন করেছেন। কিন্তু কী কথা হল দুই বিশ্বনেতার মধ্যে? মোদী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথপোকথনের কথা জানান। সেখানে লেখেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ফোন করার জন্য ধন্যবাদ জানাই। উনি বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছেন। ভারতের মানুষ এই কঠিন সময়ে দৃঢ়ভাবে ইজরায়েলের পাশে আছে। ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে।
শনিবার হামাসের আচমকা আক্রমণে ইজরায়েলের পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়ে। তারপর থেকে ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। ইজরায়েলের ওপর আচমকাই হামলা চালায় হামাস গোষ্ঠী। পাল্টা আক্রমণ করেছে ইজরায়েলও। গাজা এখন তাদের দখলে। ওখানকার মানুষদের অবস্থাও সঙ্গিন। জল নেই, পর্যাপ্ত খাবার নেই। বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। চারপাশে শুধুই হাহাকার। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু জায়গা। বিশেষত গাজা। ইজরায়েল হুমকি দিয়েছে, হামাস যদি পিছু না হটে গাজাকে পুরোপুরি ধ্বংস করবে। এমন অবস্থায় রাষ্ট্রসংঘও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
রাষ্ট্রসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ইজরায়েলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে উদ্বেগ তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কিন্তু সেইসঙ্গে এটাও ঠিক ইজরায়েলকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনেই সামরিক অভিযান চালাতে হবে।