
শেষ আপডেট: 20 April 2024 19:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডুবে যাচ্ছে চিন!
সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্তাপ বাড়ছে। বাড়ছে জলস্তর। জলবায়ু বদলের প্রকোপে চিনের অর্ধেকের বেশি শহর তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকরা। যে কোনও দিনই ঘরছাড়া হতে পারেন কোটি কোটি মানুষ।
গবেষণা বলছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চিনের যে শহরগুলিতে জনসংখ্যা ২০ লক্ষেরও বেশি, সেই শহরগুলি দ্রুত হারে মাটিতে বসে যাচ্ছে। মাটির নীচের জল শোষণ করে বড় বড় আকাশছোঁয়া কমপ্লেক্স, আবাসন তৈরি হচ্ছে। বড় বড় টাওয়ার, শপিং কমপ্লেক্স তৈরির কারণেই বসে যাচ্ছে মাটি।
একটি সায়েন্স জার্নালের রিপোর্ট বলছে, বেজিং, তিয়ানজিনের মতো জনবহুল শহর বসে যাচ্ছে। আগে যেখানে প্রতি বছর ৩ মিলিমিটার অবধি মাটি বসে যাচ্ছিল, সেখানেই চিনের ৪৫ শতাংশ শহরতলি দ্রুতগতিতে ডুবে যাচ্ছে। গিয়েছে। বেজিংয়ের সাবওয়ে ও হাইওয়েগুলি প্রতি বছরে প্রায় ৪৫ মিলিমিটার করে বসে গিয়েছে। যত উচু বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, ততই ধসে যাচ্ছে মাটি। নগরোন্নয়ণের কারণে নগরসভ্যতাই বিলুপ্ত হতে বসেছে।
শিয়রে সঙ্কট কলকাতা, দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো শহরেরও। ‘নেচার কমিউনিকেশন’ জার্নালে বলা হয়েছিল, হাতে আর মাত্র ৩১ বছর। ডুবে যাবে কলকাতা। ভেসে যাবে মুম্বই। সমুদ্রের জলস্তর বিপদসীমা ছাড়াবে। নিউ ইয়র্ক থেকে সাংহাই— উপকূলবর্তী শহরগুলো নিয়মিত বন্যার কবলে পড়বে। বিশ্বের উপকূলবর্তী শহরগুলিকে গ্রাস করবে সর্বগ্রাসী ঢেউ। পৃথিবীর মানচিত্র থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে দক্ষিণ ভিয়েতনামের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যনগরী হো-চি মিন সিটি, চিনের সাংহাই, থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্কক, ভারতের কলকাতা, মুম্বই, মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া. ইরাকের বাসরা।
নাসার শাটল রেডার টোপোগ্রাফি মিশন (SRTM) তাদের উপগ্রহ চিত্রে দেখিয়েছে, ভারতের উপকূলবর্তী এলাকাগুলির মধ্যে সবচেয়ে আগে বিপর্যয় ঘনিয়ে আসবে কলকাতা, মুম্বই, গুজরাতে। পৃথিবীর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হবে প্রায় ১৬ কোটি মানুষ।