Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

Iran US War: মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষায় ধাক্কা! ইরানি হামলায় ধ্বংস ৩০০ মিলিয়ন ডলারের THAAD রাডার

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সত্যিই ইরানের হামলায় এই THAAD রাডার ধ্বংস হয়ে থাকে, তা হলে সেটি ইরানের বড় সামরিক সাফল্য হিসেবে ধরা হবে (Iran US Strikes)। 

Iran US War: মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষায় ধাক্কা! ইরানি হামলায় ধ্বংস ৩০০ মিলিয়ন ডলারের THAAD রাডার

ইরানি হামলায় ধ্বংস THAAD রাডার

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 7 March 2026 17:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরবদুনিয়ার সংঘাতের (Middle East Tension) মধ্যেই মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা। একটি উপগ্রহচিত্রে দেখা গেছে, ইরানের হামলায় (Iran US war) জর্ডানে থাকা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন রাডার ধ্বংস হয়েছে (Iran destroys THAAD radar)। এই রাডারটি আমেরিকার অত্যাধুনিক THAAD মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জর্ডানের মুয়াফক সালতি এয়ারবেসে থাকা শক্তিশালী AN/TPY-2 রাডার এবং তার সহায়ক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে (Iran strike on US base Jordan)। এই রাডারটি THAAD ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শত্রুপক্ষের ব্যালিস্টিক মিসাইল শনাক্ত করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরামর্শ দিত (US missile defense system)।

গবেষণা সংস্থা ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিস-এর তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানে ইরানের দুটি হামলার খবর সামনে এসেছে, একটি ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং আরেকটি ৩ মার্চ। প্রথমে দাবি করা হয়েছিল, হামলাগুলি প্রতিহত করা হয়েছে। তবে পরে উপগ্রহচিত্রে ওই রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় (US military radar destroyed)।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সত্যিই ইরানের হামলায় এই THAAD রাডার ধ্বংস হয়ে থাকে, তা হলে সেটি ইরানের বড় সামরিক সাফল্য হিসেবে ধরা হবে (Iran US Strikes)। যদিও মার্কিন সেনাবাহিনীর কাছে আরও কিছু রাডার ব্যবস্থা রয়েছে, যেগুলির মাধ্যমে আকাশে প্রতিরক্ষা চালানো সম্ভব বলেও জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।

THAAD বা টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স ব্যবস্থা মূলত উচ্চ আকাশে ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংস করার জন্য তৈরি। এটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তুলনায় বেশি শক্তিশালী এবং দূরপাল্লার হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহার করা হয়।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মোট আটটি THAAD ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া এবং গুয়ামেও কয়েকটি মোতায়েন আছে। একটি সম্পূর্ণ THAAD ব্যাটারির খরচ প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে শুধু রাডারটির মূল্যই প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার।

এই রাডারটি অকেজো হয়ে যাওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার বড় অংশ এখন প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হতে পারে। কিন্তু প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থায় ব্যবহৃত PAC-3 মিসাইলের মজুদও সীমিত বলে জানা গেছে।

আরবদুনিয়ার সংঘাত শনিবার আটদিনে পড়ল (Middle East Tension)। দিন যত এগোচ্ছে উত্তেজনার পারদ চড়ছে ততই। এরমধ্যেই আমেরিকার তরফে ইরানের জন্য এক বড় হুঁশিয়ারি (US Iran conflict)। শনিবার রাতেই সবচেয়ে বড় বোমা হামলা চালাতে পারে মার্কিন বাহিনী।

এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমেরিকার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এই হামলার লক্ষ্য হবে ইরানের পারমাণবিক ঘাঁটি, মিসাইল তৈরির কারখানা এবং সামরিক ঘাঁটি (US military strike Iran)। তাঁর দাবি, এই আঘাতে ইরানের সামরিক ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার চেষ্টা করে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি করতে চাইছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump Iran statement) দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক শক্তি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তাঁর কথায়, ইরানের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


```