
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেন
শেষ আপডেট: 16 January 2025 07:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রায় সম্পন্ন হতে চলছে। দুই পক্ষই সংঘাত থামাতে রাজি। আর সূত্রের খবর, এর জন্য ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিতে চলা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তাঁর সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছেন তিনি।
বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে আমেরিকার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও ট্রাম্পের কার্যত প্রশংসা করেন এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয় নিয়ে। বলেন, ইজরায়েল এবং হামাসের মধ্যস্থতায় ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও বড় ভূমিকা আছে। যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের দলের সঙ্গে কাজ করেছে তাঁর প্রশাসন। যুদ্ধবিরতির ইস্যুতে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টও। যদিও নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন, এখনও যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়নি। বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া বাকি রয়েছে। তবে সকলেরই আশা, খুব দ্রুত এই চুক্তি সম্পন্ন হয়ে যাবে।
দীর্ঘ সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলে হামাস এবং ইজরায়েল ঠিক কী কী পদক্ষেপ নেবে? হামাস মোট তিন পর্যায়ে ৬ সপ্তাহের মধ্যে শিশু, মহিলা, বৃদ্ধ ও জখম ৩৩ জন বন্দিকে ছাড়বে। পরিবর্তে ইজরায়েলের হাতে বন্দি কয়েকশো প্যালেস্তিনীয় শিশু-মহিলা, পুরুষকে ছেড়ে দেওয়া হবে ইজরায়েলি জেল থেকে। তারপর ইজরায়েল গাজার বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। প্রসঙ্গত, গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে দুই পক্ষের সংঘাত শুরু হয়েছিল।
ইজরায়েল এবং কাতারের দুই কর্তাব্যক্তি জানান, যুদ্ধবিরতির চুক্তি প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তবে খসড়া রূপরেখাটি এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। তবে হামাস পক্ষ আগের থেকে অনেকটাই নরম হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে ক্ষমতায়নের সমীকরণে অনেকটাই বদল ঘটবে। তার আগেই ইজরায়েলের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে চাইছে হামাস বাহিনী।