Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

ইরানে একতরফা হামলা ইজরায়েলের, বিরক্ত ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে নেতানিয়াহুর, কথা বন্ধ

আমেরিকার একাধিক সংবাদ মাধ্যমের খবর হল, প্রেসিডেন্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন সুতো গুটোতে চাইছেন। তার কারণ মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্টকে ক্ষয়ক্ষতির যে হিসেব পেশ করেছে তাতে ট্রাম্প ইরানকে মোকাবিলায় আর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চাইছেন না। ‌ এখনও পর্যন্ত আমেরিকার ১৬টি প্রথম সারির যুদ্ধবিমান ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে যা অভাবনীয় বলে মনে করা হচ্ছে।

ইরানে একতরফা হামলা ইজরায়েলের, বিরক্ত ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে নেতানিয়াহুর, কথা বন্ধ

শেষ আপডেট: 20 March 2026 12:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর Israel Prime Minister Benzamin Netanyahu) বাক্যালাপ বন্ধ।‌ দিন সাতেক হল তাদের মধ্যে কথা নেই।

পশ্চিমী একাধিক সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে পরিচিত ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব ও দূরত্ব তৈরি হয়েছে ( differences of opinion between Trump and Netanyahu over attack on Iranian natural oil field) তার কারণ ইরানের ওপর বিনা আলোচনায় ইজরায়েলের একতরফা আক্রমণ‌। ইরান যার জবাব দিচ্ছে আরব দুনিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে। ফলে আমেরিকার মিত্র দেশগুলি পাল্টা জবাব দিতে চাইছে। ‌কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখনই যুদ্ধ আর ছড়াতে চাইছেন না বলে খবর।

আমেরিকার একাধিক সংবাদ মাধ্যমের খবর হল, প্রেসিডেন্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন সুতো গুটোতে চাইছেন। তার কারণ মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্টকে ক্ষয়ক্ষতির যে হিসেব পেশ করেছে তাতে ট্রাম্প ইরানকে মোকাবিলায় আর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চাইছেন না। ‌ এখনও পর্যন্ত আমেরিকার ১৬টি প্রথম সারির যুদ্ধবিমান ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে যা অভাবনীয় বলে মনে করা হচ্ছে।

নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের দুরত্ব তৈরির প্রধান কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে ইরানের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক তেলক্ষেত্র সাউথ পার্সে ইজরায়েল হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে। ইরানের প্রতিশোধ নিয়েছে মার্কিন মিত্র কাতারের একটি জ্বালানি কমপ্লেক্সে হামলা করে। কাতার প্রশাসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে ইরানের ওই হামলায় তাদের জ্বালানি ক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। 

 

এরই মধ্যে আবার মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গাবার্ড সরকারকে এক রিপোর্ট জানিয়েছেন, ইরানের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করা হলেও দেশটিকে এখনও তেমন একটা দুর্বল করা যায়নি। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্তা ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রতিবাদ করে পদত্যাগ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ইরানে কোন পারমাণবিক পরিকাঠামো নেই যা আমেরিকার পক্ষে বিপজ্জনক।

এর আগে গত বছর ইরানে আমেরিকার হামলার সময় গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গাবার্ডের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল ট্রাম্পেরও। গাবার্ড ঘরোয়া বৈঠকে বলেছিলেন, ইরানে আমেরিকার পক্ষে ভয়ংকর এমন কোন পরমাণু স্থাপনা নেই। এর জবাবে ট্রাম্প বলেছিলেন, আমেরিকা কোনও দেশকে কীভাবে মোকাবিলা করবে সে ব্যাপারে তিনিই শেষ কথা বলবেন। তাৎপর্যপূর্ণ হল, তুলসী গাভার্ডকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরানকে তিনি আমেরিকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন কিনা। জবাবে ভারতীয় বংশোদ্ভুত এই মার্কিন কর্তা বলেছেন, তিনি এই বিষয়ে কিছু বলবেন না। যা বলার বলবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট মনে করছেন ইরান ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

ইরানে তেলক্ষেত্রে ইসরাইলের সর্বশেষ হামলা নিয়ে ট্রাম্পের বিরক্তির সবচেয়ে বড় কারণ ওই ঘটনার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলা পেয়ে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ওই হামলার জবাবে ইরান যেভাবে কাতারের উপর আক্রমণ শানিয়েছে তা নিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেও একইসঙ্গে জানিয়েছেন ইজরাইলের ওই আক্রমণের পরিকল্পনার কথা মার্কিন প্রশাসনের অজানা ছিল।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য নিয়ে ইজরাইল সরকারিভাবে কোন মন্তব্য না করলেও সে দেশের সংবাদপত্র গুলি উল্টো কথা বলছে। ‌ যেমন ইয়েদিওথ আহরোনোথ‌ নামে একটি খবরের কাগজ রিপোর্ট করেছে যে, ইরানের ঐ তেল ক্ষেত্রের উপর আক্রমণের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রাইম মিনিস্টার নেতানিয়াহু। ট্রাম্পের তরফে সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ওই পত্রিকাটি। অন্যদিকে, বিরক্ত ট্রাম্প ইজরাইলের হামলাকে হিংস্র অভিযান বলে অভিহিত করেছেন। যদিও ইজরায়েলে এরপর ঘোষণা করেছে, তারা আর প্রাকৃতিক তেল ভান্ডারের ওপর হামলা চালাবে না।  

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিপরীত অবস্থান প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধটি শুরুতে যে নিবিড়ভাবে সমন্বিত প্রচেষ্টা হিসেবে শুরু হয়েছিল, এখন তা পরিচালনার ক্ষেত্রে দুই নেতা কতটা একমত। তাদের মধ্যে অনুভূত যেকোনো ব্যবধান এই সংঘাতের গতিপথ এবং এর চূড়ান্ত ফলাফল উভয়কেই বিপদে ফেলতে পারে। আমেরিকা সফররত জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে ওভাল অফিসের এক বৈঠকে ট্রাম্প বলছেন, ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সম্পদ হিসেবে বিবেচিত স্থানে ইজরায়েলের হামলাকে তিনি সমর্থন করেন না।


```