
ইজরায়েলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হানা।
শেষ আপডেট: 2 October 2024 13:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লেবাননি হিজবুল্লা প্রধান হাসান নাসরাল্লাকে হত্যার পর থেকে আশঙ্কাকে সত্যি করে ইজরায়েলের বুকে আঘাত হানা শুরু করেছে পরমাণু অস্ত্র শক্তিধর ইরান। যে কারণে এই অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও বিগড়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, স্থলপথে ইজরায়েলি বাহিনী হানাদারি শুরু করায় লেবাননের দিক থেকেও সংঘর্ষ পরিস্থিতি খারাপের দিকে গড়াচ্ছে। এই অবস্থায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক পরিস্থিতির দিকে খুব খুঁটিয়ে নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয়দের অনাবশ্যক ইরান ভ্রমণে মানা করা হয়েছে। যাঁরা ইরানে রয়েছেন, তাঁদের তেহরানস্থিত ভারতীয় দূতাবাসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
বুধবার ইজরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে স্থলভাগে হানাদারিতে সেনা ও সাঁজোয়া ইউনিট নেমে পড়েছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকাকে নিশানা করা হবে। সীমান্ত পেরিয়ে ইতিমধ্যেই কমান্ডো এবং প্যারাট্রুপাররা লেবাননে ঢুকেছে। সংবাদ সংস্থার খবর ইরান মঙ্গলবার রাতে নিদেনপক্ষে ১৮০টি ক্ষেপণাস্ত্র হানা চালিয়েছে ইজরায়েলে। তার মধ্যে ইজরায়েলি চর সংস্থা মোসাদের সদর কার্যালয়ও রয়েছে। যার ফলে আরব দুনিয়া পুরোদস্তুর যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে।
এই অবস্থায় আমেরিকা এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া না জানালেও ব্রিটেন ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে হুমকি দিয়েছেন। জার্মানির চ্যান্সেলর ওল্ফ স্খোলৎজ ইজরায়েলের উপর ইরান ও হিজবুল্লার যৌথ আক্রমণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করবে। একই সঙ্গে তিনি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাপক নিন্দা করেন। ইরান গোটা এলাকাকে আগুনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা যে কোনও মূল্যে ঠেকানো জরুরি বলে জানিয়েছেন স্খোলৎজ।
এর মধ্যেই ইজরায়েলের সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবানন থেকে গ্রামবাসীদের ঘর খালি করে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ইজরায়েলের আরবিভাষী মুখপাত্র জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবাননের ২৪টি গ্রাম খালি করে দিতে বলা হয়েছে। হিজবুল্লা জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা, অস্ত্র-রসদ মজুতদাতা এমন কেউ থেকে গেলে তাঁর জীবন তিনি নিজেই ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবেন। হিজবুল্লারা রয়েছে এমন যে কোনও বাড়িকেই গুঁড়িয়ে দেবে ইজরায়েলি ট্যাঙ্ক।