
শেষ আপডেট: 3 February 2024 07:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত ও মলদ্বীপের 'বন্ধুত্বপূর্ণ' সম্পর্কের মেরামতি করতে হলে অবিলম্বে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে সম্প্রতি প্রকাশ্য়ে দাবি জানিয়েছিলেন মলদ্বীপের বিরোধী দলনেতা জুমহুরি পার্টির(জেপি) কাসিম ইব্রাহির।
তারপরেও মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট চিনপন্থী মহম্মদ মুইজ্জুর বিশেষ কোনও বদল ঘটেনি বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পর্য়বেক্ষকরা।
সেনা প্রত্যাহার নিয়ে তৈরি হওয়া জট কাটাতে শুক্রবার দিল্লিতে বৈঠকে বসে ভারত ও মলদ্বীপের প্রতিনিধিরা। সূত্রের খবর, বৈঠকে দু'পক্ষ জানায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে রাজি। এ ব্যাপারে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “বৈঠকে দু'পক্ষই ভারতীয় বিমান প্ল্যাটফর্ম, যা মলদ্বীপকে মানবিক ও চিকিৎসা পরিষেবা দেয়, তা নিয়ে সমাধানসূত্র খুঁজে বের করতে রাজি হয়েছে।” যদিও ওই বৈঠকের কিছু পরেই মলদ্বীপ সরকারের তরফে পাল্টা বিবৃতিতে জানানো হয়, আগামী ১০ মে-র মধ্যে মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করা হবে।
অর্থাৎ ভারতের উল্টো সুরই শুনিয়েছে মলদ্বীপ। ফলে প্রতিবেশী এই দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উন্নতির সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হচ্ছে।
ঘটনার সূ্ত্রপাত, প্রেসিডেন্টের পদে বসার পরই চিনপন্থী মহম্মদ মুইজ্জু মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন। ডেডলাইনও বেঁধে দেন তিনি। এমনকী প্রকাশ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেন মুইজ্জু-সহ মলদ্বীপ সরকারের তিন মন্ত্রী। প্রতিবাদে সেদেশে সংসদে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বিরোধীরা।
বিরোধীদের বক্তব্য, মুইজ্জির চীন ঘনিষ্ঠতার জেরে ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের সুস্থ সম্পর্ক তলানীতে এসে ঠেকেছে। তাই দু'দেশের সম্পর্ক ঠিক করতে অবিলম্বে মোদীর কাছে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছেন সে দেশের বিরোধী দলনেতা। এরই মাঝে সমস্যা সমাধানে বৈঠক ডেকেছিল দিল্লি। সূত্রের খবর, বৈঠকের ভেতরে আলোচনায় রাজির কথা বললেও পরে বিবৃতিতে উলটো সুর শুনিয়েছে মুইজ্জু।